সোমবার ● ১৩ জুলাই ২০২০ ● ২৯ আষাঢ় ১৪২৭ ● ২১ জিলক্বদ ১৪৪১
সংবাদপত্র ব্যবহার করে মালিকরা অর্থপাচারও করেছে, কিন্তু সাংবাদিকদের বেতন দেন না: শামীম চৌধুরী
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২০, ১১:০৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

সংবাদপত্র ব্যবহার করে মালিকরা অর্থপাচারও করেছে, কিন্তু সাংবাদিকদের বেতন দেন না: শামীম চৌধুরী

সংবাদপত্র ব্যবহার করে মালিকরা অর্থপাচারও করেছে, কিন্তু সাংবাদিকদের বেতন দেন না: শামীম চৌধুরী

করোনাকালীন সময়ে গণমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখতে সরকার এবং মালিকপক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকারি প্রণোদনা অথবা ঋণ দেয়ার পাশাপাশি মালিকপক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিতভাবে দিতে হবে। এক্ষেত্রে মালিকদের সদিচ্ছ্বাও থাকতে হবে। এই সংকটময় মুহুর্তে কোনো কর্মী ছাঁটাই করা কোনোভাবেই কাম্য নয় বলেও মনে করেন আলোচকরা। দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপে এসব কথা বলেন আলোচকরা। 

মঙ্গলবার আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রেস সচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল এবং বিএফউউজে’র মহাসচিব শাবান মাহমুদ। দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন। 

এ কে এম শামীম চৌধুরী বলেন, আমি সাংবাদিতাকে শুধু চাকরি মনে করি না। এখানে আসার একটা উদ্দেশ্যও থাকে। সরকারের কথাগুলো জনগণের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে, জনগণের কথাগুলো সরকারের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। এই করোনাকালেও সাংবাদিকরা ফ্রন্টলাইনার হিসাবে কাজ করছেন।
 
বেসরকারি হাসপাতাল ও ধনী শ্রেণীর লোকজন তেমনভাবে এগিয়ে আসেনি এই সময়ে। দিন খুব ভালো যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। সরকার খুব ভালো ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে কিছু জায়গায় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি সবার তাকিয়ে থাকলে হবে না, তার নিচেও নেতারা আছেন। তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের সাংবাদিক ভাইদের জন্য মাসের শুরুতেই বেতন পাবেন, এই নিশ্চয়তা থাকতে হবে। মালিকপক্ষ শুধু বিজ্ঞাপনের দিকে তাকিয়ে থাকেন। অনেক মালিক এই পত্রিকা ব্যবসা করে বাড়ি, গাড়ি করেছেন এমনকি অর্থপাচারও করেছেন। কিন্তু সাংবাদিকদের বেতন দিতে পারেন না সময়মতো। বেতন দেয়ার দায়িত্ব  সরকারের নয়। মালিকপক্ষকে দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য কিছু অর্থতো জমিয়ে রাখতে হবে। আমি মনে করি, যারা সাংবাদিকতা করতেই আসেন, তারা করেনই। আরেকটা শ্রেণী আছে যারা গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে, তাদের বিষয়টাও ভাবতে হবে। পৃথিবীতে বাংলাদেশের মতো স্বাধীন গণমাধ্যম কোথাও নেই। এখানে যা খুশি লেখা যায়। 

তিনি আরো বলেন, সারা পৃথিবীই আজ আক্রান্ত করোনার কারণে। অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও ভালো আছে। মুদ্রাস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে আছে। সবচে কষ্টে আছে যারা সরাসরি এই করোনার কারণে চাকরি হারিয়েছেন। এই সংকটকালে যারা ধনবান মানুষ আছে, তাদের এগিয়ে আসতে হবে।  

শামীম চৌধুরী আরো বলেন, অনলাইনে যেভাবে বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লন্ডন ও নিউইয়র্ক থেকে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে সেগুলো বন্ধ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রথমসারির গণমাধ্যমকে সঠিক সংবাদমাধ্যমকে এগিয়ে আসতে হবে সঠিক খবরটি প্রচার করে।  

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »




সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com