মঙ্গলবার ● ৭ জুলাই ২০২০ ● ২৩ আষাঢ় ১৪২৭ ● ১৫ জিলক্বদ ১৪৪১
ঈদের দিনে করোনায় সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড, মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়াল
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৫ মে, ২০২০, ৩:০৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ঈদের দিনে করোনায় সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড, মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়াল

ঈদের দিনে করোনায় সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড, মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়াল

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে একদিনে রেকর্ড পরিমাণ মানুষের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নতুন শনাক্তের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯৭৫ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৫ হাজার ৫৮৫ জনে। এছাড়া এ সময়ের মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫০১ জনে। আর সুস্থ হয়েছেন ৪৩৩ জন।

সোমবার (২৫ মে) ঈদের দিন দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে করোনাভাইরাস সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১১ হাজার ৫৪১ জনের। আগের কিছু নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয় ৯ হাজার ৪৫১ জনের। এতে একদিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৭৫ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর আগে গত ২৩ মে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮৭৩ জনের করোনা শনাক্তের কথা জানানো হয়। গত ২১ মে একদিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৭৩ জনের দেহে করোনা শনাক্তের কথা জানানো হয়েছিল। তার আগে ২০ মে শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ৬১৭ জনের। এ পর্যন্ত ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪ জনের করোনা পরীক্ষা করে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৫ হাজার ৫৮৫ জনে।

এছাড়া এই সময়ে মৃত্যু বরণ করেছেন ২১ জন। এর আগে গত ২২ মে একদিনে সর্বোচ্চ ২৪ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। এর আগে গত ১৮ ও ১৯ মে একদিনে সর্বোচ্চ ২১ জন ও গতকাল ২২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। এ নিয়ে মোট মৃত্যু ৫০১ জনের।

তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন সুস্থ হয়েছেন ৪৩৩ জন। এ নিয়ে মোট ৭ হাজার ৩৩৪ জন সুস্থ হয়েছেন।

ব্রিফিংয়ের করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে অধ্যাপক নাসিমা বলেন, তরল খাবার, কুসুম গরম পানি ও আদা চা পান করবেন। সম্ভব হলে মৌসুমী ফল খাবেন ও ফুসফুসের ব্যায়াম করবেন। এ সময় ধূমপান ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এটি ফুসফুসের কার্যকারীতা নষ্ট করে দেয়।

চীনের উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সেদিন তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্তের কথা জানিয়েছিল আইইডিসিআর।

এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার।

ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়ানো হয় সেই ছুটি, যা এখনও অব্যাহত আছে। ৭ম দফায় বাড়ানো ছুটি চলবে ৩০ মে পর্যন্ত।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »




আরও সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com