শুক্রবার ● ৫ জুন ২০২০ ● ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ ● ১২ শওয়াল ১৪৪১
করোনা ভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগে যা বললেন মাওলানা সাদ কান্ধলভি
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২০, ৬:৫৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

করোনা ভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগে যা বললেন মাওলানা সাদ কান্ধলভি

করোনা ভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগে যা বললেন মাওলানা সাদ কান্ধলভি

দিল্লির নিজামুদ্দিন মসজিদে তাবলিগ জামাতের জমায়েত থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। অবশ্য বেশকয়েকজনের শরীরের করোনাভাইরাস শনাক্তও হয়েছে। করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রসঙ্গে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের কিছু সদস্য করোনাভাইরাসে পজিটিভ এসেছেন। কিন্তু বেশিরভাগ তাবলিগ সদস্যই পরীক্ষায় নেগেটিভ শনাক্ত হয়েছেন।

হিন্দুস্থান টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ভাইরাসটির বিস্তারের জন্য মারকাজ কি দায়ী? নিজেকে এই প্রশ্ন বারবার করে দেখেন, জবাব পেয়ে যাবেন। যখন ভারতে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়, তখন সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে?

‘ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে পুরো মার্চজুড়ে আর কত জায়গায় এমন বড় জমায়েত দেখেছেন, তাদের কি এই রোগের জন্য দায়ী করা যাবে?’

তিনি বলেন, মার্চের ওই জমায়েতের সময়টি আগেই নির্ধারিত ছিল। দেশ-বিদেশ থেকে ধর্মানুরাগীরা এতে অংশ নেন। মধ্যমার্চ পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিকই যাচ্ছিল। কিন্তু কারফিউ শুরু হওয়ার পর কর্মসূচি বাদ দিয়ে লোকজনকে সরিয়ে দিয়েছি।

তাবলিগ জামাতের কিছু বিদেশি সদস্যের বিরুদ্ধে ভিসা নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। কারণ তারা পর্যটন ভিসায় ভারত সফরে গেছেন। কিন্তু মারকাজ তাতে সায় দিয়েছে কেন জানতে চাইলে মাওলানা সাদ কান্ধলভি বলেন, লোকজন কয়েক দশক ধরে এভাবেই আমাদের দেশে আসছেন। কর্তৃপক্ষ কখনো এটা একটি ইস্যু হিসেবে তোলেননি।

‘কিন্তু পুলিশকে সবসময় আমরা বিদেশিদের অবস্থান সম্পর্কে জানিয়ে আসছি। তাবলিগে আসা বিদেশিদের ভিসার স্পন্সর দেয় না মারকাজ, তাদের আমন্ত্রণও জানায় না। আমার সীমিত জ্ঞান বলছে, ভিসা নীতির কতটা লঙ্ঘন হয়েছে, তাতে নজর দিতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি।’

তবে তাবলিগকে বিদেশি তহবিল দেয়ার বিষয়টি একেবারেই নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। মাওলানা সাদ বলেন, এটা ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমাদের গর্ব হচ্ছে, মারকাজে কোনো অবৈধ তৎপরতা হয় না। আমরা সবসময় এসব থেকে দূরে থাকি। এ ধরনের কোনো নোটিস আমরা পাইনি। এসব অভিযোগ কেবল গণমাধ্যমেই রয়েছে।

এ বিষয়ে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারবেন বলেও জানান তাবলিগের এই আমির।

তাবলিগের ওই জমায়েতের অনুমোদন ছিল না বলে প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, মারকাজ নিজামুদ্দিনে প্রতিদিনই কোনো না কোনো কার্যক্রম থাকে। আর উন্মুক্ত পরিসরে বড় জায়গায় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। সে জন্য কতৃপক্ষের কাছ থেকে যথাযথ নিয়ম মেনে অনুমোদন নেয়া হয়।

এদিকে নিজামউদ্দিন মারকাজের অন্যতম উদ্যোক্তা মাওলানা সাদ কান্ধলভি দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চকে দেওয়া এক চিঠিতে লিখেছেন, আমি ইতিমধ্যেই তদন্তে অংশগ্রহণ করেছি। দুটি নোটিশের উত্তরও জিয়েছি। ফের জানাচ্ছি যে, আমি সবসময় প্রস্তুত এবং আপনি যে তদন্ত করবেন তাতে আমি সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »




সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]