শুক্রবার ● ১০ জুলাই ২০২০ ● ২৬ আষাঢ় ১৪২৭ ● ১৮ জিলক্বদ ১৪৪১
খাদ্য মজুদ আছে আরও এক বছরের
করোনাকে পুঁজি করে বাজারে পণ্যের দাম চারগুণ
অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত
আরিফুর রহমান
প্রকাশ: রোববার, ২২ মার্চ, ২০২০, ৮:৫৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

করোনাকে পুঁজি করে বাজারে পণ্যের দাম চারগুণ

করোনাকে পুঁজি করে বাজারে পণ্যের দাম চারগুণ

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি নভেল করোনাভাইরাস আতঙ্কে যখন সাধারণ জনগণ। তখনই এ সুযোগ পুঁজি করে সারা দেশে নিত্যপণ্যের দাম চারগুণ করে বৃদ্ধি করেছে সারা দেশের ব্যবসায়ীরা । এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত বলা হচ্ছে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে আমাদের দেশে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ঠেকাতে নিয়মিত মাঠে কাজ করছেন প্রশাসন। দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান। শাস্তি হিসেবে করা হচ্ছে অর্থদ-। তারপরেও থামানো যাচ্ছে না দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিকারী এই চক্রদের। ১৭ মার্চ প্রতি কেজি পেঁয়াজ কৃষকদের কাছ থেকে ব্যবসায়ীরা কিনেছিলেন ১৭ থেকে ১৮ টাকায়। আর আলু বেচেছিলেন ৬ থেকে ৭ টাকায়। চার দিনের মাথায় গতকাল শনিবার একই পেঁয়াজ তারা ৬৫ ও আলু ২৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছিলেন। 

এদিকে, প্রতিদিনের মত গতকাল শনিবার বিভিন্ন বাজার ও সুপারশপে বিশেষ অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভোরে যাত্রাবাড়ী বড় বাজার আড়তে অভিযান চালিয়ে এমন তথ্য পেলেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। হাতেনাতে ও নথিতে প্রমাণ পাওয়া ৩২ জন ব্যবসায়ীকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করলেন তারা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলোকে বলেন, ‘আমরা যাত্রাবাড়ীর ওই আড়তের মালিকদের পেঁয়াজ ও আলুর ক্রয় ও বিক্রয়ের রসিদ পরীক্ষা করি। সেখানে দেখা গেছে তারা যে দামে ওই দুটি পণ্য কিনেছেন তার চেয়ে তিন থেকে চার গুণ দামে বিক্রি করছেন। ধারাবাহিকভাবে ঢাকার অন্যান্য বাজারেও এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে বলে তিনি জানান। আর বনশ্রীর অভিজাত বিপণি-বিতান ‘স্বপ্ন’ সুপারশপে অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. মাসুম আরেফিন।

তিনি ভোরের পাতাকে জানান, ‘করোনাভাইরাসকে পুঁজি করে নিত্যপণ্যের বাজার যেন অস্থিতিশীল না হয় সেজন্য সরকারের নির্দেশে অধিদফতরের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ‘স্বপ্ন’ সুপারশপে অভিযান করেছি। এখানে একাধিক ক্রেতাকে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক কেনাকাটা করতে দেখা যায়। ভোক্তারা যেন বেশি পণ্য না কেনেন এজন্য পরামর্শ দিয়েছি। পাশাপাশি স্বপ্নকে সতর্ক করেছি তারা যেন অধিক পণ্য একসঙ্গে বিক্রি না করে পাশাপাশি পণ্যের দাম না বাড়ায়’। তিনি আরও বলেন, ‘স্বপ্নকে সতর্ক করেছি। আমাদের অভিযান চলছে। বিভিন্ন বাজার ও সুপারশপে অভিযান চলবে। যারা আইন অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে’।

খাদ্য মজুদ : দেশে খাদ্য মজুদ পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ১৬ মার্চ পর্যন্ত দেশে সরকারি পর্যায়ে খাদ্য মজুদ রয়েছে ১৭ লাখ ৫১ হাজার টন। চাল রয়েছে ১৪ লাখ ২৯ হাজার টন এবং গম রয়েছে ৩ লাখ ২২ হাজার টন। তবে সরকারি মজুদের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণ খাদ্য মজুদ রয়েছে বেসরকারি পর্যায়ে। দেশের মিলার, পাইকার, আমদানিকারক, খুচরা ব্যবসায়ী এবং কৃষক পর্যায়েও বিপুল পরিমাণ খাদ্য মজুদ রয়েছে। খাদ্য বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। এর বাইরে আটা, ময়দা, তেল, ডাল, চিনিসহ অন্যান্য নিত্যপণ্য প্রচুর পরিমাণে মজুদ রয়েছে। এমনকি আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে ছোলা, খেজুরসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যও আমাদনি করা হচ্ছে। চাহিদার সিংহভাগই দেশে মজুদ রয়েছে। ফলে এ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক ভোরের পাতাকে বলেন, ‘আমাদের প্রধান খাদ্য ভাত, ডাল, মাছ মাংস, আটা এবং শাক সবজি। এগুলো সবই আমাদের অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদিত। ফলে নিত্যপণ্য নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এই মুহূর্তে দেশে অন্তত এক বছরের প্রয়োজনীয় খাদ্য মজুদ রয়েছে’।

খাদ্য বিভাগের খাদ্য সংগ্রহের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি মৌসুমের গত ৫ মার্চ-২০২০ পর্যন্ত দেশে আমন সিদ্ধ চাল সংগ্রহ হয়েছে ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪০৭ টন। আমন আতপ চাল ৪৩ হাজার ৪০১ টন এবং আমন ধান সংগ্রহ হয়েছে ৬ লাখ ২৬ হাজার ৬৫৭ টন। যা চালের হিসাবে মোট ৭ লাখ ৯৭ হাজার ২৭৪ টন।

গত ১৫ মার্চ পর্যন্ত খাদ্য আমদানির যে তথ্য পাওয়া গেছে তা হলো, সরকারি খাতে ৩ লাখ ৮৪ হাজার টন এবং বেসরকারি খাতে ৪৭ লাখ ৯১ হাজার টন গম আমদানি করা হয়েছে। ফলে খাদ্যশস্যের মজুদ পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া মাসিক চাহিদা ও বিতরণ পরিকল্পনার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) সারোয়ার মাহমুদ ভোরের পাতাকে বলেন, ‘খাদ্য  মজুদ পরিস্থিতি খুবই সন্তোষজনক। আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সরকার সারা বছরই মৌসুমভেদে খাদ্য শস্য সংগ্রহ করে। সে সব প্রোগ্রামও চালু রয়েছে। শুধু সরকারি পর্যায়েই নয় বেসরকারি পর্যায়ে আরও অনেক বেশি পরিমাণে খাদ্য মজুদ রয়েছে। কোনো দুর্যোগ কিংবা সংকট মোকাবিলার জন্যও সরকারের ‘ওএসএম’ পদ্ধতিসহ বিভিন্ন খাদ্য কর্মসূচিও চালু রয়েছে’।

এ বিষয়ে সাবেক খাদ্য সচিব আবদুল লতিফ ম ল ভোরের পাতাকে বলেন, ‘খাদ্য মজুদ পরিস্থিতি বেশ সন্তোষজনক। তবে বেসরকারি খাতে সবচেয়ে বেশি খাদ্য মজুদ থাকে। আর এ বাজারটা মূলত নিয়ন্ত্রণ করে মিল মালিকরা। সেক্ষেত্রে মিল মালিকরা যাতে কোনো ধরনের আতঙ্ক তৈরি করতে না পারে। সে বিষয়ে সরকারের সতর্ক দৃষ্টি রাখা এখন সবচেয়ে জরুরি’।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে সারা দেশে অভিযান-নোয়াখালী :করোনাভাইরাস আতঙ্ককে কেন্দ্র করে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করায় নোয়াখালী জেলা সদরের বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম সরদার। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে দৌঁড়ে পালিয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত জেলা সদরের সোনাপুর পৌর বাজার, দত্তেরহাট ও মাইজদী বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি করায় সোনাপুর পৌর বাজারের বিভিন্ন দোকারে অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম সরদার বলেন, করোনা কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করেছে । এসময় ৭ ব্যবসায়ীকে ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এটি আমাদের নিয়মিত অভিযানের অংশ এবং তা অব্যাহত থাকবে।

সাতক্ষীরা: নিত্য পণ্যের দাম বাড়ানো রোধে সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালায়। দুপুরে সাতক্ষীরা বড়বাজারে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। 

সীতাকু- :সীতাকু- গ্রামগঞ্জে করোনায় নিত্যপণ্যের দাম বৃৃদ্ধি করেছে দোকানীরা। দোকানীদের মজুদ কাচামালের দাম বৃদ্ধি করতে শুরু করেছে। 

শ্রীনগর: শ্রীনগরে করোনাভাইরাস আতঙ্ককে পুজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য অতিরিক্ত দামে বিক্রি করার দায়ে ও মূল্য তালিকা না রাখার অপরাধে ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ২৭ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়। 

ছাগলনাইয়া:ছাগলনাইয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩ ব্যবসায়ীকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

গাজীপুর: গাজীপুরে কালিয়াকৈরে করোনাভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে ও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে বেশি মুনাফা অর্জন করছেন অসাধু ব্যবসায়ী চক্র। আর তাদের ঠেকাতে বাজারে বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু করছেন উপজেলা প্রশাসন। 

গোপালগঞ্জ :গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ঘাঘর বাজারের ৮টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল শনিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মাহফুজুর রহমান অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রির অপরাধে স্থানীয় ঘাঘর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মেসার্স লোকনাথ ট্রেডাসসহ অনেক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেন।

লোহাগড়া :দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের অজুহাতে কতিপয় মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা নিত্য পণ্য চাল, ডাল, পিয়াজ, রসুনসহ অন্যান্য ভোগ্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে নড়াইলের লোহাগড়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ৬টি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানকে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

শেরপুর :সারা দেশে করোনাভাইরাসের আতঙ্কের কারণে চীন থেকে আমদানি নির্ভর রসুন ও আদার দাম বেড়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে চাল, বয়লার মুরগি, পেঁয়াজ, আলু, কাঁচা মরিচসহ কয়েকটি নিত্যপণ্যের দাম। 

নাটোর :নাটোরের সিংড়ায় হঠাৎ করেই বৃদ্ধি পেয়েছে চাল-পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের দাম। গত দুদিনের ব্যবধানে প্রকারভেদে প্রতি কেজি চালে প্রায় ৪ টাকা বেড়েছে। আর ৫০ কেজির বস্তায় বেড়েছে প্রায় ২০০-৩০০টাকা।  

রাজশাহী : রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি দেখিয়ে চওড়া দামে চাল বিক্রয় করায় শনিবার সকাল ১১টার দিকে ২ জন খুচরা ও ৫ জন পাইকারী ব্যবসায়ীর ৯৫ হাজার টাকা অর্থদ- প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বরগুনা :অধিক মূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি করার অভিযোগে আমতলী ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও মনিরা পারভীন আমতলী পৌর শহরের চৌরাস্তা বাঁধঘাট ও উপজেলার মহিষকাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ ব্যবসায়ীকে নয় হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

কুড়িগ্রাম :কুড়িগ্রামের চিলমারীতে চালের দাম বেশি রাখা, প্লাষ্টিক বস্তা ব্যবহার ও পণ্য তালিকা না থাকায় ৫ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

গৌরনদী :গৌরনদী উপজেলার তিনটি বাজারে অভিযান চালিয়ে চাল ও পেঁয়াজের ৭টি আরত মালিককে ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ফারিহা তানজিন । 

ঝালকাঠি :ঝালকাঠিতে চাল, আলু, পেঁয়াজ, রসুনসহ  নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি অপরাধে ১০ ব্যবসায়ীকে ৬৮ হাজার ৫শ’ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

পিরোজপুর :পিরোজপুর মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। শনিবার দুপুরে পৌর শহরের বাজারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) রিপন বিশ^াস অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন। 

হাতীবান্ধা :লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে মনিটরিং করেন। শনিবার উপজেলায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত বেশি দামে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী বিক্রি করার অভিযোগে ৬ জন খুচরা ব্যবসায়ীকে ১৪ হাজার টাকা অর্থদ- আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন। 

সুনামগঞ্জ :সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে রাইসমিলসহ ৭টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

গাইবান্ধা :গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে করোনাভাইরাসের অজুহাতে উপজেলার কাঁচাবাজারের পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতি চালের বস্তা (৫০ কেজি) ৩শ’ থেকে ৫শ’ টাকা ও পেঁয়াজ কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বৃদ্ধি করে বিক্রির অভিযোগে উপজেলা প্রশাসন গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। 

রাজবাড়ী :রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শনিবার ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে। এসময় পণ্যের মূল্য বেশি নেওয়ায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »




আরও সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com