বুধবার ● ৩ জুন ২০২০ ● ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ ● ১০ শওয়াল ১৪৪১
তাড়াশে বালাম বই এর অভাবে ভোগান্তিতে শতশত জমির মালিক
তাড়াশ(সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ২০ মার্চ, ২০১৯, ১:৫৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

তাড়াশে বালাম বই এর অভাবে ভোগান্তিতে শতশত জমির মালিক

তাড়াশে বালাম বই এর অভাবে ভোগান্তিতে শতশত জমির মালিক

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সাব -রেজিষ্টার অফিসে বালাম বইয়ের অভাবে দলিল লিপিবদ্ধ করতে না পেরে গত দুই বছর যাবৎ জমির মালিকরা মূল দলিল না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে মূল দলিলের অভাবে জমির মালিকরা জমি নিবন্ধনের দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরেও একদিকে জমির খাজনা-খারিজ করতে না পেরে বিপাকে পড়ছেন।  

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলা সাব-রেজিষ্টার অফিসে ২০১৬ সালের মে মাসের পর থেকে সরকারীভাবে সরবরাহতকৃত বালাম বই আসেনি। ফলে প্রায় আড়াই  বছরের অধিক সময়  ধরে বালাম বইয়ের অভাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগ জমির নিবন্ধন হওয়া শত শত জমির মূল দলিল বালাম বইয়ে লিপিবদ্ধ করতে না পেরে মালিকদের তা সরবরাহও করতে পারছেন না। এ কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন উপজেলার শত শত জমি নিবন্ধন করা জমির মালিকরা। এছাড়া সাব রোিজষ্টার অফিসে বালাম বইয়ের অভাবে তা লিপিবদ্ধ করতে না পেরে শত শত মূল দলিল গুলোর নিরাপত্তা নিয়েও জমির মালিকরা চিন্তিত।

অপরদিকে বালাম বইয়ের অভাবে কাজ করতে না পেরে তাড়াশ উপজেলা সাব -রেজিষ্টার অফিসে কর্মরত ১১জন নকল নবিশ দীর্ঘদিন যাবৎ বেতন, ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।   

তাড়াশ উপজেলার মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের ঘড়গ্রামের জমির মালিক আবু তালেব জানান, প্রায় দেড় বছর যাবৎ তিনি একটি জমি নিবন্ধন করেছেন অথচ আজ অবধি তাকে মূল দলিল দিতে পারেনি তাড়াশ সাব -রেজিষ্টার অফিস। তারা বলছেন, বালাম বই না এলে মূল দলিল সরবরাহ করা সম্ভব নয়।  এদিকে কবে নাগাদ বালাম বই আসবে তাও তারা বলতে পারেন না। যে কারণে আমি ওই জমির খাজনা-খারিজও করতে পারছি না।   

উপজেলা সাব রেজিষ্টার অফিসের একাধিক নকল নবিশ জানান, সাব-রেজিষ্টার অফিসে কর্মরত সাধারণত একজন নকল নবিশকে প্রতি মাসে ৩০০ পাতার দলিল বালাম বইয়ে লিপিবদ্ধ করার নিয়ম রয়েছে এর বিনিময়ে নকল নবিশরা প্রতি পাতার লিপিবদ্ধ করার জন্য ২৪ টাকা হারে সন্মানী পেয়ে থাকেন। তারা কাজ করলে পারিশ্রমিক পান আর না করলে কিছুই পান না এ নিয়মের কারণে বালাম বই না থাকায় একজন নকল নবিশের রোজগারের পথ বন্ধ রয়েছে প্রায় আড়াই বছর যাবৎ।

এ বিষয়ে তাড়াশ সাব -রেজিষ্টার অফিসের সাব-রেজিষ্টার ফারহানা আজিজ সরকারীভাবে বালাম সরবরাহ না থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ  বালাম বই সরবরাহ না থাকায়  সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা বালাম বইয়ের জন্য জেলা রেজিষ্টার অফিসের চাহিদাপত্র পাঠিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে সব সময় যোগাযোগ রাখছি।  

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »




আরও সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]