রোববার ২৩ জুন ২০২৪ ৯ আষাঢ় ১৪৩১

শিরোনাম: সংগ্রাম, সাফল্য ও সংস্কৃতির বর্ণিল প্রতিভাসের নাম আ.লীগ: কাদের    বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা    আ.লীগের প্রতিষ্ঠার প্লাটিনাম জয়ন্তীর ব্যানারে স্থান পেল জয় ও পুতুলের ছবি    পবিত্র কাবাঘরের চাবি সংরক্ষক ড. শায়খ সালেহ আল শাইবা ইন্তেকাল করেছেন    রাসেল’স ভাইপার নিয়ে জনগণকে আতংকিত না হওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর    ভূমি নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : ভূমিমন্ত্রী    বিশ্বব্যাংক থেকে ৯০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পেলো বাংলাদেশ   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
দুর্নীতিতে নিমজ্জিত বিওআরআই, সব গিলে খাচ্ছেন মহাপরিচালক একা!
উৎপল দাস
প্রকাশ: বুধবার, ৫ জুন, ২০২৪, ৬:৫০ পিএম আপডেট: ০৫.০৬.২০২৪ ৭:০৪ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই) বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র সমুদ্রবিদ্যা বিষয়ে জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা দেশের সমুদ্র সম্পদের উন্নয়ন ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে এবং সমুদ্রবিদ্যা বিষয়ক গবেষণার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভুমিকা পালন করবে এই বিশ্বাসেই প্রতিষ্ঠিত হলেও, এই গবেষণা কেন্দ্রটি এখন দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। এই সংস্থার মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদের একক স্বেচ্ছাচারিতায় বিপাকে পড়েছেন শতাধিক চাকরি প্রত্যাশী। 



ভোরের পাতার অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১ জুন বাংলাদেশ ওশেনোগ্রাফিক রিসার্চ  ইনস্টিটিউটে সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার, সাইন্টিফিক অফিসার , অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ  অফিসার পদে লিখিত পরীক্ষা হয়। 
কিন্তু ঘুষের বিনিময়ে অযোগ্য লোকজনকে সেখানে নিয়োগ দেয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ এসেছে। এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রতি পদের জন্য ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়ার কথাও শোনা গেছে। প্রায় ১০ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য একাই নিয়ন্ত্রণ করছেন, ওশেনোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. তৌহিদা রশীদ। ইতিমধ্যেই তিন কোটি টাকার বেশি লেনদেনও হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার নিয়োগের কথা উল্লেখ থাকলেও  নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব ছিলেন  আবু সাঈদ শরীফ। যিনি নিজেই একজন সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার! একথা জানাজানি হলে  ক্ষোভে ফেটে পড়ে সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। চাকরিপ্রার্থী মহিউদ্দিন মাহি জানান বলেন, আমরা পাশ করেছি প্রায় চার বছর হল।  চার বছরে সমুদ্রবিজ্ঞানে মাত্র একটা সার্কুলার ছিল। আমি নিজে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করেছি।  কিন্তু আমার কাছ থেকে টাকা চেয়েছে বিভিন্ন সময়।  টাকা না দেওয়ায় ভাইবা বোর্ডে প্রায় ২০ মিনিটের মত  অপমান এবং লাঞ্ছিত করেছে।  আমার রোল নম্বর ২১৫। আমার কাছে প্রমাণ আছে। আমি এর বিচার চাই।

এছাড়াও সমস্ত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সিনিয়র  সায়েন্টিফিক অফিসার পদে কাউকেই এডমিট কার্ড দেওয়া হয়নি।  ডাটা সেন্টারে দুইটি পদ ছিল। একশোর মতো শিক্ষার্থী  এক বছরের জিআইএস সার্টিফিকেট নিয়ে ডেটা সেন্টার আবেদন করেছিল । কিন্তু মহাপরিচালক ড. তৌহিদা রশীদে মাত্র একজনকে  এডমিট কার্ড দিয়েছিলেন। পরীক্ষার দিন শিক্ষার্থীরা যখন জানতে পারে যে,  ডাটা সেন্টারের মাত্র একজনকে এডমিট কার্ড দেওয়া হয়েছে  ক্ষোভে ফুঁসে উঠে।

তখন যে একজনকে ডেটা সেন্টারে এডমিট কার্ড দেয়া হয়েছিল  ডিজি কৌশলে  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য  সেই একজনকে পরীক্ষা দেওয়া থেকে বিরত রাখেন। সমুদ্র বিজ্ঞানের  সকল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা  এই বিষয়ের প্রতিকার চেয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ দিয়েছেন। 
এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য মহাপরিচালক ড. তৌহিদা রশীদকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি বিষয়বস্তু উল্লেখ করে ক্ষুদেবার্তা পাঠালেও সেটির কোনো প্রতিউত্তর দেননি।

তবে নিউজ প্রকাশের কয়েক মিনিটের মধ্যে তিনি কলব্যাক করে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। ড. তৌহিদা রশীদ বলেন, আমি জীবনে কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দিইনি। যারা আমার কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিতে পারেনি, তারাই এসব মিথ্যাচার করছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Vorer-pata-23-12-23.gif
http://www.dailyvorerpata.com/ad/bb.jpg
http://www.dailyvorerpata.com/ad/ADDDDDD.jpg
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]