জাতীয়

শেখ হাসিনার জন্মদিনে ‘চমৎকার’ উপহার দিবেন সৈয়দ মিজানুর রহমান

::উৎপল দাস::

শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন, জাতির মুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া, জীবন ও যৌবনের উত্তাপে শুদ্ধ সংগঠন, সোনার বাংলা বিনির্মাণের কর্মী গড়ার পাঠশালা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।বিদ্যার সঙ্গে বিনয়, শিক্ষার সঙ্গে দীক্ষা, কর্মের সঙ্গে নিষ্ঠা, জীবনের সঙ্গে দেশপ্রেম এবং মানবীয় গুণাবলির সংমিশ্রণ ঘটিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অতিক্রম করেছে পথচলার ৭০ বছর । ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি সময়ের দাবিতেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । জন্মের প্রথম লগ্ন থেকেই ভাষার অধিকার, শিক্ষার অধিকার, বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান, সর্বোপরি স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের ছয় দশকের সবচেয়ে সফল সাহসী সারথি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
ছাত্রলীগের জন্মের ঠিক আগের বছরই উন্নয়নশীল বাংলাদেশের রূপকার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্ম হয়। ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি জন্মেছিলেন বলেই শত বাধা পেরিয়ে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের অনেক দেশের রোল মডেল। দুর্নীতিকে দূর করে একক নেতৃত্বগুণে বিশ্বনেতা হিসাবে হিসাবে তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হয়ে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর করে চলেছেন নিরন্তন। আজকের বাংলাদেশ মহিমান্বিত হচ্ছে শেখ হাসিনার আলোক রোশনায়।

এমন একজন নেতার আগামী জন্মদিনে (২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান তার প্রিয় নেত্রীকে একটি ‘চমৎকার’ উপহার দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসাবে আমার আস্থা, বিশ্বাসের শ্রেষ্ঠ স্থান শেখ হাসিনা। তার জন্মদিনে এবার চমৎকার একটা উপহার দিতে চাই। তবে চমক হিসাবেই এখন রাখতে চান ছাত্রলীগের ত্যাগী এই নেতা। ভোরের পাতাকে সৈয়দ মিজানুর রহমান আত্নবিশ্বাসের সঙ্গেই বলেন, শেখ হাসিনার কারণেই আজ আমরা বুক ফুলিয়ে বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে চলতে পারি। তার হাতকে সুসংহত করতে অবশ্যই কাজ করে যেতে চাই। তাকে যে উপহার দিবো তাতে তিনি অবিভূতই হবেন, এ কথা বলতে পারি।

Spread the love
  • 4.7K
    Shares

জাতীয় | আরো খবর