বিনোদন

‘লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে বলেই দিলাম’

:: বিনোদন ডেস্ক ::

২০০৭ সালে ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হন ফারিয়া শাহরিন। এরপর নাটক আর বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেন। মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকের ‘কথা দিলাম’ প্যাকেজের বিজ্ঞাপনচিত্র তার পরিচিতি বাড়িয়ে দেয় অনেক গুণ। অভিনয় করেছেন চলচ্চিত্রেও। তবে তার সমসাময়িকদের তুলনায় ফারিয়ার কাজের সংখ্যা একেবারেই কম। মালয়েশিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মিডিয়া মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফারিয়া পড়ালেখার কাজে বর্তমানে সেখানেই রয়েছেন।

কিছু দিন আগেও বেশ আলোচনায় ছিলেন এই মডেল ও অভিনয়শিল্পী। মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে একটি বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য করে শোবিজ জগতে বিতর্কের সৃষ্টি করেন। মালয়েশিয়া প্রবাসী ফারিয়া গত সফরে মাত্র একটি নাটক করেই আবার মালয়েশিয়ায় উড়াল দেন। এরই মধ্যে নিজের একটি অনুভূতির কথা জানালেন ফারিয়া শাহরিন। অনেক বেশি প্রত্যাশা থাকা সত্বেও পুরস্কার না পাওয়ার কষ্টময় অনুভূতি কেমন, সেটাই যেন বললেন তিনি।

ফেসবুকের একটি স্ট্যাটাসে ফারিয়া লিখেছেন, একটা দুঃখের কথা শেয়ার করি। অনেক আগে থেকে করবো করবো করেও করি নাই। আজ লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে বলে দিলাম। আমি যখন বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ার (কথা দিলাম) বিজ্ঞাপনটা করলাম, যেটার জন্য আমাকে মানুষ চিনে। সেই বছর আমি মানুষের প্রতিক্রিয়া আর উৎসাহ দেখে ধরেই নিয়েছিলাম মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারে বেস্ট মডেল এইবার তো আমি হবোই।

ফারিয়া আরও লেখেন, আমি খুব এক্সাইটেড ছিলাম, কারণ মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার আমার মনে হয় সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ করে। যা একদমই পক্ষপাতমূলক না। কিন্তু হলো না। বেস্ট মডেলের পুরস্কার দেয়াই বন্ধ হয়ে গেলো তখন থেকে। আর আমার স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেলো।

স্ট্যাটাসে ফারিয়া লেখেন, আর তো পূরণ হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই মনে হয় নেই। কিন্তু যারা এই পুরস্কার জেতেন, তাদের ভাগ্য দেখে খুব হিংসা হয়। কিন্তু ভালোও লাগে যে, তারা তাদের কষ্টের পুরস্কারটা পেলো। দেখি বাচ্চা-কাচ্চা হলে ওরা যদি পায় আর কি তাও শান্তি লাগবে। হে হে …তবে আমি খুব খুশি মেহজাবিন ও অপূর্ব ভাই অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে তাই। কারণ তারাই শতভাগ যোগ্য ছিলো। এজন্যই এই অ্যাওয়ার্ডটা এতো ভালো লাগে।

Spread the love
  • 96
    Shares

বিনোদন | আরো খবর