'বন্দুকযুদ্ধে' চার জেলায় নিহত ৬

  • ২৭-মার্চ-২০১৯ ১০:৫০ অপরাহ্ন
Ads

 

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

দেশের চার জেলায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৬ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই রোহিঙ্গাসহ দস্যু বাহিনী, মাদককারবারী, সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী রয়েছে। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার (২৭ মার্চ) ভোরের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে টেকনাফের-২নং বিজিবির ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার বলেন, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে টেকনাফ উপজেলার খারাংখালীর নাফ নদী সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে দুই রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করেন। এসময় সেখানে টহলরত বিজিবির সদস্যরা তাদের বাঁধা দেয়। এতে তারা বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থলে দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাদের দেহ তল্লাশি করে এক লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহতদের টেকনাফ থানা পুলিশের মাধ্যমে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, কক্সবাজারের পেকুয়ার মগনামাঘাট এলাকায় র‌্যাব-৭ এর টহল দল ও উপকূলীয় জলদস্যুদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে দুই দস্যু নিহত হয়েছেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুই জলদস্যুর গুলিবিদ্ধ লাশ এবং আটটি অস্ত্র ও ২৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে র‌্যাবের-৭ এর পক্ষে জানানো হয়েছে।

এছাড়া রাতে রাজধানীর মাটিকাটা এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে শফিকুল ইসলাম শফিক (৩৫) নামে নরসিংদীর শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত হয়। শফিক তিনটি হত্যা মামলা, চারটি অস্ত্র মামলাসহ এক ডজন মামলার পলাতক আসামি। 

এছাড়াও গাজীপুরের এরশাদনগর এলাকায় ছিনতাইকারীদের গুলিতে কাওসার (২৫) নামে এক ছিনতাইকারী নিহত হয়েছে। 

গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতরাতে এরশাদনগর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কাওসারকে আটক করা হয়। কিন্তু বিষয়টি টের পেয়ে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিতে কাওচার আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে।

Ads
Ads