সৈয়দ মিজানুর রহমানের বই ‘নেতৃত্বে ছাত্রলীগ, ইতিহাসের অকাট্য দলিল’ আলোচিত

  • ৩-মার্চ-২০১৯ ০৭:১১ পূর্বাহ্ণ
Ads

ভোরের পাতা ডেস্ক

৫২’র ভাষা আন্দোলনে সে সময়কার শহীদ হওয়া ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের অবদান,যা কখনোই ভুলে যাবার নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ছাত্রাবস্থায় এ সংগঠনের কর্মী ছিলেন। ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সক্রিয় অবদান রেখেছেন তার ইতিহাস এবং ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ছাত্রলীগের উত্থান পতনের বৈচিত্র্য সবই রয়েছে বইটিতে। রয়েছে বর্তমান পর্যন্ত সংগঠনের নানা বাস্তবতার চড়াই উৎরাই নিয়েও বিশ্লেষণ।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত নেতৃত্বদানকারী সকল সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের ছবি সহ সংক্ষেপে পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে, যা নতুন প্রজন্মকে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব সম্পর্কে সঠিক ধারনা দিবে। বইটিতে ছাত্রলীগের দলীয় পতাকা, মনোগ্রাম,দলীয় সংগীত রচনা, এবং বঙ্গবন্ধু ও জয়বাংলা শব্দের উৎপত্তির ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়েছে।

বইয়ের সম্পাদক সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, ‘ছাত্রলীগ নিয়ে জানার আগ্রহ ছিল তৃণমূল থেকেই। কিন্তু ছাত্রলীগের সকল ইতিহাস একটি জায়গায় পাইনি। বিবেকের তাগিদে দুই বছর বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করি, কাজ করি। অনেকে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গর্ব করে বলেছিলেন- ছাত্রলীগের ইতিহাস মানেই বাঙালির ইতিহাস, বাংলাদেশের ইতিহাস। তাই জানার আগ্রহ এবং একজন ক্ষুদ্রকর্মী হিসেবে দায়বদ্ধতা মনে করেই ছাত্রলীগের ঐতিহাসিক বেশকিছু অজানা তথ্য সংরক্ষণ পূর্বক ভবিষ্যত প্রজন্মের সামনে তুলে আনার প্রচেষ্টাই ছাত্রলীগের এই অকাট্য দলিল প্রকাশ করা। বইটি পড়লে আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগবে। পাশাপাশি বিভিন্ন চাকুরী পরীক্ষায় রাজনীতি সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তরে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।’

বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে সৈয়দ মিজানুর রহমান কাজ করেন।ইতিমধ্যেই বইটি সাড়া ফেলেছে বইমেলায়। বইটি প্রকাশ করেছে আগামী প্রকাশনী। বই মেলা ছাড়াও দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের দোকানে বইটি পাওয়া যাবে।

..

Ads
Ads