এখন শিরোপায় চোখ বাঘিনীদের

  • ১৮-Aug-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা অনলাইন ::

বছর ঘুরে আবারও সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে শিরোপা উঁচিয়ে ধরার জন্য মাঠে নামছে বাংলাদেশের মেয়েরা। গেলবারের ন্যায় এবারও মারিয়া-তহুরাদের শেষ বাধা প্রতিবেশি ভারত।

ভুটানকে ৫-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। দুর্দান্ত জয়ের পর এখন শিরোপায় চোখ লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্বকারীদের।

শনিবার (১৮ আগস্ট) ভুটানের থিম্পু চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ নারী দল। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাতটায়।

টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করায় দারুন খুশি বাংলাদেশ দলের সফল কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। গতকাল সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, তার দল স্বাভাবিক খেলাটা খেলবে। যে ছন্দে রয়েছে সেটাই তিনি ধরে রাখতে চান। বললেন, ‘এই কটা দিন আমরা যে খেলাটা খেলেছি তার চেয়েও ভালো খেলবো আমরা।’

দলের অধিনায়ক মারিয়া মান্ডা বলেন, ভারত অনেক শক্তিশালী দল। তাদের অভিজ্ঞতাও অনেক বেশি। অভিজ্ঞ ফুটবলার দলে আছেন। যারা পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে সব দিকেই।

ভুটানে বাংলাদেশের মেয়েরা এখন সাফল্যের প্রতীক। মাত্র সাত মাসের অনুশীলনেই তারা পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটানকে হারিয়েছে।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের বাংলাদেশের শুরুটা নবাগত পাকিস্তানকে দিয়ে। নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে গোল বন্যায় ভাসিয়ে ১৪-০ গোলের ব্যবধানে হারায় মারিয়া মান্ডার দল। দ্বিতীয় জয়টা নেপালকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আর শেষটা গত একদিন আগে ভুটানকে ৫-০ গোলে হারিয়ে। পুরো টুর্নামেন্টে এখনো এক গোলও হজম করতে হয়নি বাংলাদেশের।

অপরদিকে ভারত গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কা ও ভুটানকে হারিয়ে এবং সেমিফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পায়।

সবকিছু মিলিয়ে ভারত থেকে অনেকগুন এগিয়ে বাংলাদেশ। যার কারণে একটু মনোযোগ ধরে রাখলেই আবারও বাংলার মেয়েদের মাথায়ই উঠতে যাচ্চে চ্যাস্পিয়নের মুকুট। আর সেই বিজয় ‍মুহূর্ত দেখার জন্য অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের ক্রীড়া প্রেমীরা।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসর। ওই আসরের ফাইনাল ম্যাচে ভারতেক ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। যার কারণে স্বাভাবিক ভাবেই ভারতের চেয়ে অনেক এগিয়ে লাল-সবুজরা।

 

অনলাইন/কে 

Ads
Ads