দেশ ও জাতির কল্যাণে সশস্ত্র বাহিনীকে ভূমিকা রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • ৮-ফেব্রুয়ারী-২০১৯ ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখতে সশস্ত্র বাহিনীকে ভূমিকা রাখতে হবে।

বৃহস্পতিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর সেনানিবাসের শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে ডিএসসিএসসি-২০১৮-২০১৯ কোর্সের গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'জাতির পিতা আমাদের জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতিমালা করে দিয়ে গেছেন। আমরা এরই আলোকে যুগোপযোগী প্রতিরক্ষা নীতিমালা করছি। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। আমরা সেভাবেই সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন করছি। দেশে এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনীও। আমরা আমাদের উন্নয়নের কার্যক্রমের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ভবিষ্যতে ডিফেন্স কলেজেরও আধুনিকায়ন করা হবে।' স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সামরিক বাহিনীর গ্র্যাজুয়েটসদের সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনেরও পরামর্শ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশকে এক সময় বিশ্ববাসী দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য চিনতো। তবে সে অবস্থা এখন আর নেই। আমাদের জিডিপি বেড়েছে। রাস্তাঘাটের উন্নতি হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে। আমরা স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করেছি, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলেছে। মানুষের আয় এবং জীবনযাত্রার মানও বেড়েছে। সুনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করা ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অনেকেই যখন সেতু নির্মাণ থেকে সরে দাঁড়ায়, তখন আমরা বলেছিলাম নিজস্ব অর্থায়নে সেতু করবো। এই একটি সিদ্ধান্তই বিশ্বের কাছে আমাদের ভাবমূর্তি বদলে দিয়েছে। বিশ্ববাসী এখন জেনেছে আমরাও পারি।’ রাজধানী ঢাকার সঙ্গে অন্যান্য জেলার এবং সামগ্রিকভাবে পুরো দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে এ কাজে সেনাবাহিনীর সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামের মানুষও যাতে নাগরিক সুবিধা পায় সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

Ads
Ads