ম্যাচের আগেই যে মহা দুশ্চিন্তায় টাইগাররা

  • ২৮-Jul-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হয়েছিল গায়ানার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা সারা বছর যেমন পিচে খেলে অভ্যস্ত, প্রায় ওই ধরনের উইকেটই ছিল গায়ানায়। সেখানে সুযোগ পেয়েও সিরিজ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। গায়ানা থেকে একেবারেই আলাদা সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচের ভেন্যু সেন্ট কিটসের বাসেটেরের ওয়ার্নারপার্ক। বলা যায়, পুরোপুরি ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে অঘোষিত ফাইনালে ক্যারিবীয়দের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এখানকার মাঠ দুইপাশে কিছুটা ছোট, তাই সহজেই বাউন্ডারি হয়। ফলে রানও অনেক বেশি ওঠে। সেন্ট কিটস কতটা ব্যাটিংবান্ধব তা পরিসংখ্যানে একবার চোখ বুলালেই বোঝা যায়। এখন পর্যন্ত সেন্ট কিটস ভেন্যুতে ১৭ ম্যাচের ৭ ইনিংসেই এসেছে ৩শ’র ঊর্ধ্ব রান। এ ছাড়াও ২৫০ এর উপরে আছে ৮ ইনিংস। ২শ’র উপর ইনিংস আছে ১০টি। প্রথম ইনিংসের গড় স্কোর ২৮৫। আর দ্বিতীয় ইনিংসের গড় স্কোর ২০৯। সেই সঙ্গে প্রতিপক্ষ দলে রয়েছেন ক্রিস গেইল-এভিন লুইসদের মতো হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান। এ ছাড়াও আছেন শিমরন হিটমেয়ার-শাই হোপদের মতো মাঠ কামড়ে পড়ে থাকা ব্যাটসম্যানও। এদের মধ্যে হিটমেয়ার তো আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করেই জানান দিয়েছেন প্রয়োজনে একাই টেনে নিয়ে যেতে পারেন দলকে। অবশ্য সুখবরই বলা যায়, আরেক মারকুটে অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল এদিন ইনজুরির জন্য দলে নেই। রাসেল দলে না থাকলেও ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে এদিন ব্যবধান গড়ে দিতে পারেন গেইল-লুইস-হিটমেয়ারদের যে কেউই। এই মাঠে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানরা কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে তার অতীত স্মৃতি ভালোই আছে বাংলাদেশ দলের। এখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ একবারই ৩শ’র বেশি রান করেছিল সেটিও এ বাংলাদেশের বিপক্ষে। ২০১৪ সালের সেই ম্যাচে ডোয়াইন ব্রাভো ও দিনেশ রামদিনের সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৩৮ রান করেছিল ক্যারিবীয়রা। জবাবে তামিম-মুশফিকের হাফসেঞ্চুরির পরও ৮ উইকেটে ২৪৮ রান তুলে হারতে হয়েছে ৯১ রানের ব্যবধানে।

Ads
Ads