২১ আগস্ট গ্রেনেড মামলা: আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ ৪ সেপ্টেম্বর

  • ৩-Sep-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা অনলাইন ::

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ বর্বরোচিত ও নৃশংস গ্রেনেড হামলা মামলায় আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর)।

২১ আগস্টের ঘটনায় পৃথক মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৫২ জন। এর মধ্যে ৩ জন আসামির অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তাদের মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

৩ আসামি হলেন, জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান ও শরীফ সাহেদুল আলম বিপুল। এখন ৪৯ আসামির বিচার চলছে। এরমধ্যে এখনো ১৮ জন পলাতক। আসামিদের মধ্যে ৪৫ জনের যুক্তিতর্ক পেশ হবে। ইতোমধ্যে ৪৪ জনের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে।

তবে কাল আসামী লুৎফুজ্জামান বাবরের পক্ষে আইনি পয়েন্টে যুক্তি পেশের মধ্যদিয়ে আসামীপক্ষে যুক্তিতর্ক পেশ শেষ হবে। আসামি বাবরের পক্ষে সাক্ষ্য তথ্য-প্রমাণের (ফ্যাক্টস) ভিত্তিতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ২৯ আগস্ট শেষ হয়েছে। বাবরের আইনজীবী নজরুল ইসলাম বলেন, কাল মঙ্গলবার তার মক্কেল বাবরের পক্ষে যুক্তিতর্ক পেশ সমাপ্ত হবে।

প্রসিকিউশনের সদস্য এডভোকেট আমিনুর রহমান বলেন, মামলার অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার পর পলাতক ১৮ আসামির বিষয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে তাদের হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিসহ সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া শেষে পলাতক দেখিয়ে বিচার শুরু হয়। এরমধ্যে যাদের বিষয়ে আইনে সর্বোচ্চ সাজা হওয়ার মতো ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ছিল। এ আইনজীবীরা পলাতকদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেছেন।

আসামিরা হলেন—মাওলানা তাজউদ্দিন, তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মো. হানিফ, মহিবুল মুত্তাকীন, আনিসুল মুরসালিন, মুফতি শফিকুর রহমান, রাতুল আহমেদ বাবু ওরফে রাতুল বাবু, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মো. খলিল, মো. ইকবাল, মাওলানা লিটন ও মুফতি আবদুল হাই।

আমিনুর রহমান বলেন, পলাতক ১৮ জনের মধ্যে চার আসামির বিষয়ে ‘রাষ্ট্র নিযুক্ত’ আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তাঁরা হচ্ছেন আসামি সাবেক সেনা কর্মকর্তা এ টি এম আমিন ও সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান খান ও খান সাঈদ হাসান। এ চার আসামির আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাজা তথা মৃত্যুদণ্ডাদেশ হতে পারে এমন কোনো ধারায় অভিযোগ গঠন হয়নি। তাই তাঁরা ‘স্টেট ডিফেন্স বা রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী’ সুবিধা পাচ্ছেন না বলে জানায় রাষ্ট্রপক্ষ।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২২৫ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। আসামিপক্ষে সাক্ষীদের জেরা করেছে। গত বছরের ৩০ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল কাহার আকন্দের জেরা শেষের মধ্য দিয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়।

 

অনলাইন/কে 

Ads
Ads