বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

  • ১৯-Sep-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, বেসরকারি শিক্ষকদের ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট এবং ৫ শতাংশ বৈশাখী ভাতার দাবি প্রসঙ্গে, আমরা সরকারের কাছে অবগতি করেছি। আমরা শিক্ষকের পক্ষে আন্দোলন করি।

বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সরকার সমর্থিত এমপিওভুক্ত বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩৯টি সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, বেসরকারি শিক্ষকদের শুধুমাত্র প্রেষণে অবসর ও কল্যাণ বোর্ডে পাঠানো হয়। এই ক্ষেত্রে শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বেসরকারি শিক্ষকদেরকেও যেন সরকারি শিক্ষকদের মতো দায়িত্ব পালনে নিয়োগ দেয়ার পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষকদের মূল বেতনের ওপর পাঁচ শতাংশ বাৎসরিক বেতন বৃদ্ধি, বৈশাখী ভাতা, ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতাসহ বাড়িভাড়া ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাগুলো বাড়ানো হয়, সেই দাবিও জানানো হয়েছে। মন্ত্রী এ বিষয়ে আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্মচারী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী যে সকল বেতন-ভাতা ও প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য সুবিধা পাচ্ছেন, তা বেসরকারি পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, এমপিও-বিহীন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ)-এর এমপিওভুক্তি বা বেতন-ভাতার সরকারি অংশ প্রাপ্তির জন্য সাড়ে নয় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে।

শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ বলেন, মন্ত্রিসভা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত সেমাবার সিদ্ধান্ত দিয়েছে, যারা এমপিওভুক্ত না এবং সব প্রতিষ্ঠানের কাছে অনলাইনে আবেদন চেয়েছি। ইতোমধ্যে নয় হাজার ৪৮৯টি আবেদন জমা পড়েছে। এগুলো আমরা যাচাই বাছাই করতেছি, কেবিনেট সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমরা মাঠ পর্যায়ে গিয়েও ফিজিক্যালি করবো। যাচাই বাছাই শেষ হলে এটা নিশ্চিত যে এবার এমপিও দেওয়া হবে, এটা আমি নিশ্চিত করতেছি। যাচাই বাছা্ইয়ের পরে উপযুক্ত সময়ে দেওয়া হবে। এটার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই। এটা সরকারের সিদ্ধান্ত। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা। 

এমপিওভুক্তি প্রদানের জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ গত ৫ আগস্ট হতে শুরু হয়ে চলে ২০ আগস্ট পর্যন্ত।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা নতুন এমপিওভুক্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেসব আবেদন জমা পড়েছে সেগুলো যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে কত প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি করা হবে তা জানতে চাইলে সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে তিনি জানান।

নির্বাচনের আগে এমপিও দেওয়া হবে কিনা- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচচনের সঙ্গে এর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। যাচাই বাছাই করে দেওয়া হবে। 

 

/কে 

Ads
Ads