যে কারণে ১০ দিনের ছুটিতে গেলেন অর্থমন্ত্রী

  • ১০-Aug-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

নিজের ১০ দিনের ছুটি পাওয়ার কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ১৯৩৪ সালের ৬ অক্টোবর জন্ম নেয়া মুহিতের বয়স এখন ৮৩ বছর।

এই বয়সে কাজ করতে অনেকটা ক্লান্ত তিনি। এই ক্লান্তির কথা বলছিলেন তিনি নিজেই। টানা কাজ করার কারণে যে এনার্জি ক্ষয় হয়েছে তা কিছুটা ফিরে পেতে ছুটি নিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) নিজেই থেকে ১০ দিনের ছুটি নিয়েছেন তিনি। ‘জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কৌশল’ বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

নিজের ১০ দিনের ছুটি পাওয়ার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেট পাসের পর থেকেই কাজ একটু কম করার চেষ্টা করছিলাম। টানা কাজ করার কারণে এনার্জি ক্ষয় হতেই থাকে। এই ক্ষয় হওয়া এনার্জি ফিরে পাওয়া সহজ নয়। আজ থেকে আমার ১০ দিনের ছুটি শুরু হয়েছে। ক্ষয় হওয়া এনার্জি এই ১০ দিনের মধ্যে কিছুটা রিকুইট (ফিরে পাওয়া) করার চেষ্টা করবো।’

ছুটির সময় দুটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা জানিয়ে মুহিত বলেন, ‘ছুটির সময় আমি দুটি অনুষ্ঠানে যাব বলে ঠিক করে রেখেছি। তার মধ্যে একটা ছিল আজকেরটা, আরেকটা ১৮ আগস্ট। আজকে এখানে আসতে আমার একটু দেরি হয়েছে। আমার ধারণা ছিল, সকালে একটু অফিসে যাব। ঘণ্টাদেড়েক সময় দেব। যখন রওয়ানা দিচ্ছি তখন আমার সহধর্মিণী বললেন, হোটেল ওয়েস্টিনে প্রোগ্রাম আছে, সেহেতু এখানে এসেছি।’

জনসংখ্যার তুলনায় বাংলাদেশে ব্যাংকের শাখা কম বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। বলেন, ১৬ কোটি মানুষের দেশে ১০ হাজার ব্যাংক শাখা যথেষ্ট নয়। এর পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাড়ানো দরকার। অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংক যৌথভাবে রাজধানীর একটি হোটেলে বৃহস্পতিবার এই কর্মশালার আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করেছে বিজনেস ফাইন্যান্স ফর দ্য পুওর ইন বাংলাদেশ ও ডিএফআইডি।

মুহিত বলেন, ২০০৯ সাল থেকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গুরুত্ব দিয়ে আসছে সরকার। অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। এজন্য ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আজ ওই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, ডিএফআইডি বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জেইন এডমন্ডসন প্রমুখ।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই ১০ দিন যে ফাইলগুলোতে অর্থমন্ত্রীর সই লাগবে সেগুলোতে সই করবেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। অর্থমন্ত্রীর পরাপর্শ নিয়ে নিজ দফতর থেকেই মতিয়া এ কাজ করবেন। আর যে ফাইলগুলো প্রধানমন্ত্রীর দফতরে যাবে, সেগুলো সচিবের মাধ্যমে সরাসরি চলে যাবে।

Ads
Ads