উইন্ডিজকে ৩০২ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল টাইগাররা

  • ২৮-Jul-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

উইন্ডিজকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথমে তামিমের শতক, এরপর মাশরাফির ঝড়ো ইনিংস এবং শেষ দিকে মাহমুদউল্লাহর হার না মানা ৬৭ রানে ৫০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে রেকর্ড ৩০১ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা। জয়ের জন্য উইন্ডিজদের প্রয়োজন ৩০২ রান। ২০১২ সালে খুলনায় করা ২৯২ রান ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আগের সর্বোচ্চ। ওয়েস্ট ইন্ডিজে স্বাগতিকদের বিপক্ষে আগের সর্বোচ্চ ছিল প্রথম ওয়ানডেতে করা ২৭৯।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই দেখে শুনে খেলতে থাকেন দুই টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল ও এনামুল হক। এর আগের দুই ম্যাচে এনামুল তাড়াহুড়া করলেও আজ সেভাবে খেলেননি। কিন্তু ৩০ বলে মাত্র ১০ রান করে হয়তো আর ধৈর্য্য ধরে রাখতে পারেননি। ১০ম ওভারে হোল্ডারের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে পাওয়েলের তালুবন্দি হন এনামুল। এখন তামিমের সঙ্গে উইকেটে আছেন সাকিব। তামিম খেলছেন আগের মতই।

দলীয় ৩৫ রানে এনামুল আউট হওয়ার পর রানের চাকা সচল রাখেন তামিম-সাকিব জুটি। ইতিমধ্যেই তামিম সিরিজের দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের ৪০তম অর্ধশতক তুলে নিয়েছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ইনিংসেরও একশ পূর্ণ হয়ে গেছে। তামিম ধীরগতিতে ব্যাটিং করলেও সাকিব খেলছিলেন চালিয়ে। সিঙ্গেলস-ডাবলসের পাশাপাশি তাঁর ব্যাট থেকে আসছিল বাউন্ডারি। কিন্তু ব্যাক্তিগত ৩৭ রানে নার্সের বলে সুইপ করতে গিয়ে বাউন্ডারিতে পলের তালুবন্দি হন এই অলরাউন্ডার।

সাকিব আউট হওয়ার পর দলেকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান তামিম মুশফিক জুটি । কিন্তু এই জুটি ৩৬ রানের বেশি যোগ করতে পারেননি। দলীয় ১৫২ রানে বোল্ড হয়ে বিদায় নেন মুশি।

এবারও বোলারের নাম নার্স। মুশফিক আউট হওয়ার পর সাইলেন্ট কিলার মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন তামিম। ইতিমধ্যেই সিরিজে নিজের দ্বিতীয় ও ওডিআই ক্যারিয়ারের ১১তম শতক তুলে নেন এই হার্ডহিটার ওপেনার।

কিন্তু শতকের একটু পরেই বিশুর বলে সুইপ করতে শর্ট লেগে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তামিম। এরপর প্রমোশন পেয়ে ছয় নম্বরে নেমে ঝড় তুলেছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। আশা জাগিয়েছেন তিনশ ছোঁয়া সংগ্রহের। ২৫ বলে চারটি চার ও একটি ছক্কায় মাশরাফি ফিরেন ৩৬ রান করে। তার ঝড়ের সবচেয়ে বড় অংশটা যায় জেসন হোল্ডারের ওপর দিয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়কই শেষ পর্যন্ত ফিরিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ককে। জায়গা করে নিয়ে হোল্ডারকে গ্লান্স করেছিলেন মাশরাফি। কিন্তু গ্যাপে খেলতে পারেননি, সহজ ক্যাচ যায় শর্ট থার্ড ম্যানে ক্রিস গেইলের কাছে।

ম্যাশ আউট হলে মাহমুদউল্লাহ প্রথমে সাব্বির এবং পরে সৈকতকে নিয়ে লড়াই করে যান। যার ফলস্রুতিতে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩০১ রান করে বাংলাদেশ। ৪৯ বলে পাঁচ চার ও তিন ছক্কায় ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ। শেষ ওভারে ৫ বলে ১১ রান নিয়ে দলকে তিনশ রানে নিয়ে যান মোসাদ্দেক হোসেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ৩০১/৬ (তামিম ১০৩, এনামুল ১০, সাকিব ৩৭, মুশফিক ১২, মাহমুদউল্লাহ ৬৭*, মাশরাফি ৩৬, সাব্বির ১২, মোসাদ্দেক ১১*; কট্রেল ১/৫৯, হোল্ডার ২/৫৫, বিশু ১/৪২, পল ০/৭৭, নার্স ২/৫৩, গেইল ০/১৪

Ads
Ads