জনগণ কাদের সাহেবদের পালিয়ে যেতে দেবে না: রিজভী

  • ১-Dec-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বলেছেন, আপনারা পালিয়ে যাবেন কীভাবে কাদের সাহেব, জনগণ তো আপনাদের পালিয়ে যেতে দেবে না। আপনাদের দুঃশাসনের বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবেই।

‘আওয়ামী লীগ পরাজিত হলেও দেশে থাকবো পালিয়ে যাবো না’ -আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এর এমন বক্তব্য আজ শনিবার (০১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, বর্তমান গণবিচ্ছিন্ন সরকার রাষ্ট্রীয় অর্থে বিএনপির বিরুদ্ধে কুৎসিত সাইবারযুদ্ধ শুরু করেছে। নামগোত্রহীন বিভিন্ন সাইট, অনলাইনে বিএনপির চেয়ারপারসন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার ও কুৎসা রটানো হচ্ছে। এটা যারা করে বা করাচ্ছে তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি নয়, পারিবারিক সংস্কৃতিও অত্যন্ত নিন্মমানের। কোনো ভদ্র কিংবা গণতন্ত্রমনা মানুষ এটা করতে পারে না।

তিনি আরও  বলেন, ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার ইত্যাদি সামাজিক মাধ্যমে বিদ্বেষমূলক বিভিন্ন সুপার ইমপোজ করা ছবি, টেম্পারড নকল অডিও-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। মূলত এইসব নির্জলা মিথ্যাচার, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অশ্লীল রুচিহীন প্রোপাগান্ডা চালিয়ে তাদের দশ বছরের গুম-খুন-অত্যাচার-নিপীড়ন-জেল-জুলুম-সর্বগ্রাসী লুটপাট ও দুঃশাসন থেকে সরকার ভোটারদের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগ এই ধরনের গর্হিত অপকর্মে অর্ধ শতাধিক অনলাইন পোর্টাল, ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক গ্রুপ ব্যবহার করছে। বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। নামে-বেনামে ভুয়া আইডির ফেসবুকে প্রতিদিন হাজার হাজার ডলার ব্যয় করে প্রমোশন দিয়ে বুস্ট করছে।

তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ প্রোপাগান্ডার কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান হলো আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডি অফিসে স্থাপিত ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)’। যার চেয়ারম্যান এবং হেড অব স্ট্রাটেজি অ্যান্ড প্রোগ্রামার ট্রাস্ট্রি প্রধানমন্ত্রীর আপনজনরা।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের যেসব নেতা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাদের প্রস্তাবক ও সমর্থকদের রোববার (০২ ডিসেম্বর) নিজ নিজ রিটার্নিং কর্মকতার কার্যালয়ে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানান রিজভী।

রিজভী বলেন, ২০দলীয় জোট, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ বিভিন্ন মহলে ইভিএম ব্যবহারে আপত্তি রয়েছে। কিন্তু বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ কেন ইভিএম চেয়েছেন তা আমার বোধগম্য নয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে জানাতে পারবো।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনিপ চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা নাজমুল হক নান্নু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, ঢাকা মহানগর নেতা সাইফুল ইসলাম পটু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

/ই

Ads
Ads