‘প্লেবয়’ ইমরানের নারী কেলেঙ্কারি ফাস! দেখুন ভিডিওতে...

  • ২৭-Jul-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া প্রায় নিশ্চিত সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খানের। বাকি শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া ইমরানের বিলাসী জীবনে রয়েছে অসংখ্য নারীঘটিত কেলেঙ্কারি। এজন্য তাকে ‘প্লেবয়’ খেতাবও দিয়েছে আন্তার্জতিক মিডিয়াগুলো।

ইমরানের বাবা একজন ধনী সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। যুক্তরাজ্যে গিয়ে ওরসেস্টারের রয়াল গ্রামার স্কুলে ভর্তি হন ইমরান। এরপর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ কেবলি কলেজ থেকে দর্শন, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন।

যুক্তরাজ্যে থাকার সময় ইমরান ক্রিকেটেও তার প্রতিভা প্রকাশ করেন। ইংল্যান্ডের সাসেক্স টিমে তিনি ক্রিকেট খেলা শুরু করেন। পাশাপাশি আনন্দ-ফুর্তিতে গা ভাসিয়ে দেন। নারীদের নিকট অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেন।

তারুণ্য থেকেই ইমরানের গ্ল্যামার প্রকাশিত হয়। হ্যান্ডসাম পুরুষ বলতে যা বোঝায়, তিনি যেন তাই ছিলেন। আর তারুণ্যেই তিনি পাকিস্তান ছেড়ে যুক্তরাজ্যে গিয়েছিলেন। লন্ডনের সমাজে লেডিকিলার হিসেবেই খ্যাত ছিলেন ইমরান। লন্ডনের বিভিন্ন ক্লাবে ইমরান যাতায়াত করতেন। তবে, কারও সাথে স্থির থাকেননি। সুন্দরী বান্ধবীদের পাল্টে নিতেন প্রতিনিয়তই। ড্যান্স ফ্লোরে ইমরানের পদচারণাও ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এক সময় ট্র্যাম্প নামে একটি নাইট ক্লাবই হয়ে উঠেছিল তার বাড়িঘর।

এমনই এক বিনোদন ক্লাবে ইমরান খান ১৯৮৬ সালে পরিচিত হন ধনী বাবার কন্যা সিতা হোয়াইটের সঙ্গে। তার বাবা ছিলেন গর্ডন। তিনি পরবর্তীতে লর্ড উপাধি পান। এরপর কিছুদিন তার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক ছিল ইমরানের। তার সঙ্গে ইমরান খানের এক কন্যাসন্তানও রয়েছে। টায়রিয়ান নামে সে কন্যার পিতৃত্ব অস্বীকার করেছিলেন ইমরান। পরে অবশ্য ১৯৯৭ সালে আদালতের এক আদেশে ইমরান খানকেই পিতৃত্বের দায়িত্ব নিতে হয়।

 প্রায় এক দশক পর ইমরান খানের সঙ্গে পরিচয় হয় জেমিমা গোল্ডস্মিথের। তিনি আরেক ধনকুবেরের কন্যা।

১৯৮৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে ইমরান খান নারীসঙ্গকে অত্যন্ত ভালোবাসেন বলে জানান। তবে এজন্য যুক্তরাজ্যই উপযুক্ত বলে তিনি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানে আপনি কোনো সিঙ্গেল মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না। সেখানে কোনো ডিসকো নেই, কোনো বার (পানশালা) নেই, কোনো দেখা করার স্থানও নেই।’

পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে নিজের বান্ধবীদের নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ইমরান খান-

তবে ১৯৯২ সালে এক সাক্ষাৎকারে অবশ্য বিষয়টিকে অস্বীকার করেন ইমরান। তিনি নিজের প্লেবয় ইমেজকেও অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি নারী কোনো অসচ্চরিত্র ব্যক্তি নই। আমি একা পুরুষ হওয়ায় মানুষ নানা কথা বলে।’

১৯৯৫ সালে ইমরান বিয়ে করেন ব্রিটিশ ধনকুবের জেমস গোল্ডস্মিথের মেয়ে জেমিমাকে। ২০০৪ সালে দুজনের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

২০১৪ সালে ফের নারী কেলঙ্কারিতে জড়ান ইমরান খান। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের ঘনিষ্ঠ ও পাকিস্তানের শীর্ষ ধনী মিয়া মানশার ২১ বছর বয়সী কন্যার সঙ্গে ‘গোপন প্রণয়’ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। ওই তরুণী সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়েছেন বলে খবর বের হয় পাকিস্তানের গণমাধ্যমে।

পাকিস্তান পোস্টের এক অনলাইন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়- মিডিয়া আলোচনা এড়াতে ঘটনায় নাম জড়ানো ওই মেয়েটিকে লন্ডনে পাঠিয়ে দেয় মিয়া মানশা পরিবার। মেয়েটি সন্তানসম্ভবা ছিল। দেশটির অনেক সাংবাদিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তবে এই অভিযোগটিও গুজব বলে উড়িয়ে দেন ইমরান খান।

২০১৫ সালে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ইমরান। বিয়ে করেন টেলিভিশন উপস্থাপক রেহাম খানকে। ১০ মাসের মাথায় তাঁদের বিয়ে ভেঙে যায়।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বুশরা মানেকা নামে একজন আধ্যাত্মিক নেত্রীকে বিয়ে করেন ইমরান খান। মাস দু-একের মধ্যে সে বিয়েরও ইতি ঘটে।

Ads
Ads