শরীয়তপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

  • ১৪-জানুয়ারী-২০১৯ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আন্তঃজেলার দুই ডাকাত নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে তিন পুলিশ সদস্য।

রোববার রাত ২টার পর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের দেওভোগ গ্রামে আখেরী মহল কবরস্থানে গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে বলে পালং মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন কবীরের ভাষ্য।

নিহতরা হলেন- মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সূর্য্যমনি গ্রামের সিকান্দার আকনের ছেলে জাহাঙ্গীর আকন (৩৮) এবং মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কিসমদ্দি বাজিতপুর গ্রামের আরশেদ আলী ওরফে সাত্তারের ছেলে রাসেল হাওলাদার (৪০)।

পুলিশ বলছে, তাদের দুজনের বিরুদ্ধে শরীয়তপুরের নড়িয় থানা ও পালং মডেল থানায় ডাকাতির অভিযোগে ‘একাধিক’ মামলা রয়েছে।

পরিদর্শক হুমায়ুন বলেন, ‘আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য’ জাহাঙ্গীর ও রাসেলকে গত ১১ জানুয়ারি ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাকে শরীয়তপুরে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গভীর রাতে তাদের সঙ্গে নিয়ে দেওভোগ গ্রামে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে যায় পুলিশের একটি দল।   

“সেখানে অবস্থান নিয়ে থাকা তাদের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল হামলা চালায় এবং গুলি করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও তখন পাল্টা গুলি চালায়। এর মধ্যে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয় জাহাঙ্গীর ও রাসেল।”

এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, গোলাগুলি থামলে ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ানশুটার গান, নয়টি ককটেল, আটটি রামদা, দুটি ছোরা, তিনটি চায়নিজ কুড়াল ও একটি গ্রিল কাটার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান পরিদর্শক হুমায়ুন।

পালং মডেল থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পালং থানার কনেস্টেবল রাসেল, কনস্টেবল মামুন ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এ এস আই সোহাগ সরদার এ অভিযানে আহত হয়েছেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

Ads
Ads