ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ সুনামিতে নিহত অর্ধশত

  • ২৩-Dec-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

ইন্দোনেশিয়ার লামপাং প্রদেশের উপকূল এলাকায় ভয়াবহ সুনামিতে মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে ৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আহত বেড়ে ১৬৫ থেকে ৫৮৪ জন হয়েছে বলে দেশটির দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা জানিয়েছে।

শনিবার (২২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বড় ধরনের সুনামি আঘাত হানে প্রদেশটির সুন্দা স্ট্রেইটের চারপাশের সৈকতগুলোতে। এছাড়া উচ্চ গতির এ সুনামিতে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। সেইসঙ্গে তারা ওই এলাকায় বড় ধরনের সতর্কতাও জারি করেছে।

দেশটির দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা জানিয়েছে, সুনামির তাণ্ডবে একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়তে শুরু করে। এতে অন্তত ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। আহত হয়েছেন অর্ধ সহস্রাধিক মানুষ।

খোলা আকাশের নিচে হাজার হাজার আতংকিত মানুষ রাত যাপন করছেন। কেউ কেউ মসজিদসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় আশ্রয় নিয়েছেন।

সংস্থাটির মতে, এ সুনামি কোনো ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্টি হয়নি। সম্ভবত লামপাংয়ের মাউন্ট ক্রাকাতোয়া দ্বীপের আগ্নেয়গিরির প্রভাব থেকে এ সুনামির উৎপত্তি হয়েছে।

জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রার মাঝখানে অবস্থিত সান্দা স্ট্রেইট উপকূল জাভা সাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।

সান্দা স্ট্রেইট উপকুল জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রাকে জাভা সাগরে সংযোগ করেছে। এখন পর্যন্ত পানদেগ্লাং, দক্ষিণ লামপাং ও সিরাং অঞ্চল থেকে নিহতের খবর পাওয়া গেছে। কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এর আগে ১৮৮৩ সালে ক্র্যাকাটোয়া আগ্নেয়গিরিতে ভয়াবহ অগ্নুৎপাতের কারণে উত্তপ্ত লাভায় পুড়ে ছাই হয়ে মারা যায় কয়েক হাজার বাসিন্দা। ওই সময় এর ফলে সৃষ্ট সুনামিতে ১৩৫ ফুট উঁচু ঢেউয়ে কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষকে ভাসিয়ে নিয়ে যায় সমুদ্রে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ওই সময় ক্র্যাকাটোয়া আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে সৃষ্ট গলিত লাভার উত্তাপ ১৯৪৫ সালে হিরোশিমায় ফেলা পারমানবিক বোমার চেয়েও ১৩ হাজার গুন বেশি ছিল।

 

/কে 

Ads
Ads