পকেট কমিটি করে রাজস্ব লুটের পায়তারা
  •   জামায়াত শিবিরের লোকজনকে দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন

  •   অদৃশ্য ইশারায় মনোনয়ন বিক্রির তারিখ পরিবর্তন

  •   ভুতুড়ে প্রার্থীদের কাছে মনোনয়ন বিক্রি

  •   পুলিশ প্রহরায় সাধারণ প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম কিনতে বাঁধা

  • :: প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা ::

    সিন্ডিকেটের দখলে জিম্মি হয়ে পড়েছে ভোমরা স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন নির্বাচন। বেআইনী প্রক্রিয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের তোড়জোড় করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও একজন জনপ্রতিনিধি এবং সরকারী একজন কর্মকর্তা মিলে পছন্দের লোকজনকে এসোসিয়েশনের বিভিন্ন পদে বসাতে ভেতর থেকে কলকাঠি নাড়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব প্রক্রিয়ায় পকেট কমিটি করে বন্দরের সরকারী রাজস্বের অর্থ লুট করতে পাঁয়তারা করছে ওই সিন্ডিকেট। পকেট কমিটি গঠন করতে চিহ্নিত জামায়াত শিবিরের লোকজন দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করে ভুতুড়ে প্রার্থীদের কাছে মনোনয়ন ফরম বিক্রিতে হতাশা প্রকাশ করেছেন  স্থানীয় সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যাবসায়ীরা। এমনকি ওই এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আশরাফুজ্জামান আশুও মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে পারেননি। অদৃশ্য ইশারায় মনোনয়ন বিক্রির তারিখও পরিবর্তন করা হয়েছে; এছাড়া সাধারণ প্রার্থীরা মনোনয়ন কিনতে না পারায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা।

    জানা গেছে, পুরানো কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ভোমরা স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের এজিএম সভায় অক্টোরের ২০ তারিখে প্রতিযোগিতাপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী তিন বছরের জন্য কমিটি গঠরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরপরই স্থানীয় একজন রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতা ও একজন জন প্রতিনিধি এবং একজন সরকারী কর্মকর্তা মিলে পকেট কমিটি বানিয়ে সরকারী রাজস্বের অর্থ লুট করতে পাঁয়তারা শুরু করে। ওই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে জামায়াত শিবিরের একজন নেতাকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। ওই কমিশন পুলিশি প্রহরায় সাধারণ প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম ক্রয় করতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেন একাধিক সাধারণ প্রার্থী।  ভোমরা সি এন্ড এফ এজেন্ট কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী সাংবাদিকদের জানান,১ অক্টোবর সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পুলিশ পাহারায় মনোনয়নপত্র বিক্রি করা হয়। মনোনয়ন ক্রয়ের শেষ দিনে ৯টি পদে মাত্র ৯টি মনোনয়ন বিক্রি করা হয়েছে।

    পুলিশ ও সিন্ডিকেটের সন্ত্রাসীদের বাধার মুখে পড়ে সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আশরাফুজ্জামান আশু মনোনয়ন ফরম কিনতে পারেননি। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তার কারণে এসোসিয়েশনের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরিকল্পিত ভাবে পুলিশ প্রহরা বসিয়ে সাধারণ ব্যাবসায়ীদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একটি মহলের পছন্দের প্রার্থীদের কমিটিতে বসাতে এসব আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। 

    নির্বাচনে অংশ নিতে বেনাপোল থেকে আসা সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী আমিরুল ইসলাম আলু, মজনুর ইসলাম, আলতাফ হোসেনসহ অনেক ব্যবসায়ী মনোনয়ন ক্রয় করতে এসে পুলিশের বাধারমুখে মনোনয়ন কিনতে ব্যর্থ হন। এসময় ওই ব্যবসায়ীদের ভোমরা সি এন্ড এফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের ভেতর প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

    মনোনয়ন কিনতে না পারা বেনাপোলের মজনুর রহমান, আব্দুল মমিন, আমিরুল ইসলাম আমু, মুছা, আলতাফ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের আরো জানান, সেলুকাস কি বিচিত্র ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনে মনোনয়ন কিনতে এসে না পেয়ে খালি হাতে বাড়ী ফিরতে হচ্ছে আমাদের। মনোনয়ন বিক্রির ক্ষেত্রে এমন অনিয়ম দেখা যাচ্ছে, তা হলে নিরপেক্ষ নির্বাচন কিভাবে সম্ভব? বর্তমানে সি এন্ড এফ এ্যাসোসিয়েশনের ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ভোমরা বন্দরে অবাদ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবী জানিয়েছেন।

    খোজ নিয়ে জানা যায়, বিগত ২০১৫-১৮ বছরে পকেট কমিটির মাধ্যমে সি এন্ড এফ এজেন্ট এ্যসোসিয়েশন পরিচালনা করা হয়। পকেট কমিটি দায়িত্ব পালন কালে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা রাজস্ব অর্জন হয়নি। বিভিন্নভাবে এ কমিটির মাধ্যমে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ ও বন্দর ব্যাবহারকারীদের জিম্মি করে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। 
    সংশ্লিষ্টরা জানায়,২০১২-১৫ সালের কমিটির দায়িত্বে সিএন্ডএফ এজেন্ট পরিচালনা করা হয়েছে, তারা সরকারের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে রাজস্ব আয় লক্ষমাত্রা অতিক্রমের রেকর্ড করেছেন। 

    সাধারন ব্যাবসায়ীদের হয়রানী ও পুলিশি প্রহরায় মনোনয়ন ফরম বিক্রয়ের বিষয়ে ভোমরা স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশনার মো. আ.গফুরের কাছে জানতে চাইলে তিনি ভোরের পাতাকে বলেন,আমাকে ক্ষমা করবেন। এ বিষয়ে আমি কোন তথ্য দিতে পারবোনা।

    এ বিষয়ে শ্রম অধিদপ্তরের খুলনা জোনের যুগ্ন পরিচালক মো.মিজানুর রহমান ভোরের পাতাকে বলেন,  ট্রেড ইউনিয়ন নির্বাচন বিধি অনুযায়ী করতে হবে। এর ব্যত্যয় হওয়ার কোন সুযোগ নেই। আমরা ওই খানে অনিয়মের বিষয়টি মৌখিকভাবে শুণেছি কিন্তু কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। আমার একজন প্রতিনিধি ওইখানে সার্বক্ষনিক মনিটরিং করছে। আমরা কোন অনিয়ম হতে দিবনা। তারপরও লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

    " /> ভোরের পাতা

    বেআইনী প্রক্রিয়ায় ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ নির্বাচন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও নির্বাচন স্থগিতের দাবি

    • ২-Oct-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
    Ads
    •   পকেট কমিটি করে রাজস্ব লুটের পায়তারা

    •   জামায়াত শিবিরের লোকজনকে দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন

    •   অদৃশ্য ইশারায় মনোনয়ন বিক্রির তারিখ পরিবর্তন

    •   ভুতুড়ে প্রার্থীদের কাছে মনোনয়ন বিক্রি

    •   পুলিশ প্রহরায় সাধারণ প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম কিনতে বাঁধা

    :: প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা ::

    সিন্ডিকেটের দখলে জিম্মি হয়ে পড়েছে ভোমরা স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন নির্বাচন। বেআইনী প্রক্রিয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের তোড়জোড় করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও একজন জনপ্রতিনিধি এবং সরকারী একজন কর্মকর্তা মিলে পছন্দের লোকজনকে এসোসিয়েশনের বিভিন্ন পদে বসাতে ভেতর থেকে কলকাঠি নাড়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব প্রক্রিয়ায় পকেট কমিটি করে বন্দরের সরকারী রাজস্বের অর্থ লুট করতে পাঁয়তারা করছে ওই সিন্ডিকেট। পকেট কমিটি গঠন করতে চিহ্নিত জামায়াত শিবিরের লোকজন দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করে ভুতুড়ে প্রার্থীদের কাছে মনোনয়ন ফরম বিক্রিতে হতাশা প্রকাশ করেছেন  স্থানীয় সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যাবসায়ীরা। এমনকি ওই এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আশরাফুজ্জামান আশুও মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে পারেননি। অদৃশ্য ইশারায় মনোনয়ন বিক্রির তারিখও পরিবর্তন করা হয়েছে; এছাড়া সাধারণ প্রার্থীরা মনোনয়ন কিনতে না পারায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা।

    জানা গেছে, পুরানো কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ভোমরা স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের এজিএম সভায় অক্টোরের ২০ তারিখে প্রতিযোগিতাপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী তিন বছরের জন্য কমিটি গঠরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরপরই স্থানীয় একজন রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতা ও একজন জন প্রতিনিধি এবং একজন সরকারী কর্মকর্তা মিলে পকেট কমিটি বানিয়ে সরকারী রাজস্বের অর্থ লুট করতে পাঁয়তারা শুরু করে। ওই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে জামায়াত শিবিরের একজন নেতাকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। ওই কমিশন পুলিশি প্রহরায় সাধারণ প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম ক্রয় করতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেন একাধিক সাধারণ প্রার্থী।  ভোমরা সি এন্ড এফ এজেন্ট কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী সাংবাদিকদের জানান,১ অক্টোবর সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পুলিশ পাহারায় মনোনয়নপত্র বিক্রি করা হয়। মনোনয়ন ক্রয়ের শেষ দিনে ৯টি পদে মাত্র ৯টি মনোনয়ন বিক্রি করা হয়েছে।

    পুলিশ ও সিন্ডিকেটের সন্ত্রাসীদের বাধার মুখে পড়ে সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আশরাফুজ্জামান আশু মনোনয়ন ফরম কিনতে পারেননি। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তার কারণে এসোসিয়েশনের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরিকল্পিত ভাবে পুলিশ প্রহরা বসিয়ে সাধারণ ব্যাবসায়ীদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একটি মহলের পছন্দের প্রার্থীদের কমিটিতে বসাতে এসব আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। 

    নির্বাচনে অংশ নিতে বেনাপোল থেকে আসা সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী আমিরুল ইসলাম আলু, মজনুর ইসলাম, আলতাফ হোসেনসহ অনেক ব্যবসায়ী মনোনয়ন ক্রয় করতে এসে পুলিশের বাধারমুখে মনোনয়ন কিনতে ব্যর্থ হন। এসময় ওই ব্যবসায়ীদের ভোমরা সি এন্ড এফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের ভেতর প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

    মনোনয়ন কিনতে না পারা বেনাপোলের মজনুর রহমান, আব্দুল মমিন, আমিরুল ইসলাম আমু, মুছা, আলতাফ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের আরো জানান, সেলুকাস কি বিচিত্র ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনে মনোনয়ন কিনতে এসে না পেয়ে খালি হাতে বাড়ী ফিরতে হচ্ছে আমাদের। মনোনয়ন বিক্রির ক্ষেত্রে এমন অনিয়ম দেখা যাচ্ছে, তা হলে নিরপেক্ষ নির্বাচন কিভাবে সম্ভব? বর্তমানে সি এন্ড এফ এ্যাসোসিয়েশনের ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ভোমরা বন্দরে অবাদ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবী জানিয়েছেন।

    খোজ নিয়ে জানা যায়, বিগত ২০১৫-১৮ বছরে পকেট কমিটির মাধ্যমে সি এন্ড এফ এজেন্ট এ্যসোসিয়েশন পরিচালনা করা হয়। পকেট কমিটি দায়িত্ব পালন কালে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা রাজস্ব অর্জন হয়নি। বিভিন্নভাবে এ কমিটির মাধ্যমে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ ও বন্দর ব্যাবহারকারীদের জিম্মি করে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। 
    সংশ্লিষ্টরা জানায়,২০১২-১৫ সালের কমিটির দায়িত্বে সিএন্ডএফ এজেন্ট পরিচালনা করা হয়েছে, তারা সরকারের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে রাজস্ব আয় লক্ষমাত্রা অতিক্রমের রেকর্ড করেছেন। 

    সাধারন ব্যাবসায়ীদের হয়রানী ও পুলিশি প্রহরায় মনোনয়ন ফরম বিক্রয়ের বিষয়ে ভোমরা স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশনার মো. আ.গফুরের কাছে জানতে চাইলে তিনি ভোরের পাতাকে বলেন,আমাকে ক্ষমা করবেন। এ বিষয়ে আমি কোন তথ্য দিতে পারবোনা।

    এ বিষয়ে শ্রম অধিদপ্তরের খুলনা জোনের যুগ্ন পরিচালক মো.মিজানুর রহমান ভোরের পাতাকে বলেন,  ট্রেড ইউনিয়ন নির্বাচন বিধি অনুযায়ী করতে হবে। এর ব্যত্যয় হওয়ার কোন সুযোগ নেই। আমরা ওই খানে অনিয়মের বিষয়টি মৌখিকভাবে শুণেছি কিন্তু কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। আমার একজন প্রতিনিধি ওইখানে সার্বক্ষনিক মনিটরিং করছে। আমরা কোন অনিয়ম হতে দিবনা। তারপরও লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

    Ads
    Ads