মশক নিধন দলকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাসায় ঢুকতে না দেয়া দুঃখজনক: মেয়র আতিক

  • ২৮-Aug-২০১৯ ০৩:১৪ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

এডিস মশা নির্মূলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ‘চিরুনি অভিযানে’ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেকের বাসায় মশক নিধন দলকে ঢুকতে না দেয়াটা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

বুধবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে এক পরিচ্ছন্নতা অভিযানে এসে সাংবাদিকদের একথা জানান আতিকুল ইসলাম। এর আগে মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) গুলশানে মশক নিধন অভিযানে ডিএনসিসির কর্মকর্তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাড়িতে। 

বিষয়টি ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমরা তো আবাসিক বাড়িগুলোতে প্রথমবার গিয়েই ফাইন করছি না। নির্মাণাধীন ভবনে বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে জরিমানা করছি। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে গতকাল যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, আজও করেছি। কিন্তু তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বাসায় বাসায় গিয়ে মশা মারতে চিরুনি অভিযান প্রসঙ্গে আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা বলেছি আমরা কিন্তু কোনো বাসা বাড়িতে ফাইন্ড করছি না। আমরা বাসা বাড়িতে গিয়ে সাহায্য করছি সবাইকে দেখানোর জন্যে, সচেতনতার জন্য যে বাসার কোন কোন জায়গায় ময়লা জমতে পারে, পানি জমতে পারে, এডিস মশার জন্ম হতে পারে। আমি অনুরোধ করবো সবাইকে আমাদের সাহায্য করার জন্য।

এর আগে গাবতলী বাস টার্মিনালের পেছনের অংশ অপরিচ্ছন্ন দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আতিক। এ বিষয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, সামনের অংশ যেমন পরিষ্কার, পেছনের অংশ তেমনি অপরিষ্কার। আমরা জানতে পারলাম এখানে অনেক অবৈধ দোকান রয়েছে, খাবারের দোকান রয়েছে। এসব দোকানের ময়লা-আবর্জনাই এখানে ফেলা হয়। আমরা উচ্ছেদ করে দিচ্ছি। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছি। স্থানীয় সংসদ সদস্য দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে তারা এ জায়গাটা পরিষ্কার রাখবেন। 

এর আগে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গাবতলী বাস টার্মিনালের ভেতরে ঘুরে দেখেন। সে সময় টার্মিনালের পেছনের অংশে নোংরা পরিবেশে ময়লা-বর্জ্যর স্তুপ দেখতে পান।

এ সময় ঢাকা ১৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলামুক হক বলেন, খুব তাড়াতাড়ি আমরা গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করব-এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। উচ্ছেদ হবে, উচ্ছেদ হতেই হবে। স্থানীয় কোনো রাজনৈতিক নেতাও যদি এর সঙ্গে জড়িত থাকে তবুও কেউ ছাড় পাবে না।

 

/কে 

Ads
Ads