খালেদা জিয়ার তৈরি ছিল যে আমি মরলে কন্ডোলেন্স জানাবে: প্রধানমন্ত্রী

  • ২১-Aug-২০১৯ ০৭:০৩ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

বোধহয় খালেদা জিয়ার তৈরি করাই ছিল যে আমি মরলে পরে একটা কন্ডোলেন্স জানাবে। সেটাও না কী তার প্রস্তুত করা ছিল। কিন্তু আল্লাহ বাঁচিয়ে দিয়েছেন। সেটাই বড় কথা বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেল ৪ টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দলটিকে নেতৃত্বশূন্য করতেই এই হামলা করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বেঁচে থাকার কথা না। ওরা ভাবেনি যে বেঁচে থাকবো। অনেক ছোট ছোট ঘটনা আমি জানি। যারা হামলা করেছে তারা এক জায়গায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। সেখান থেকে ফোন করেছে যে আমি মারা গেছি কী না।

তিনি বলেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে বারবার মৃত্যুর সম্মুখীন হয়েছি। যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবো এটা আমার প্রতিজ্ঞা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৪ সালের এই দিনে আমাকে প্রধান টার্গেট করে সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে সন্ত্রাসীদের দিয়ে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে রক্তস্রোত বইয়ে দিয়েছিল বিএনপি-জামাত সরকার। গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সরকারি দল এবং বিরোধী দলের মধ্যে যে কর্ম সম্পর্ক থাকা দরকার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে সেটা চিরদিনের জন্য শেষ করে দিয়েছে বিএনপি।

সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা অনেক তথ্য বের করেছেন। এই তথ্যটা বের করেন, তারেক রহমান খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ৫ নম্বরে তার যে শ্বশুড়বাড়ি ওখানে এসে সে ১০ মাস থাকলো এবং পহেলা আগস্ট চলে গেল ক্যান্টেনমেন্টের বাসায়। ওখানে থেকে সে কী করলো? তার কাজটা কী ছিল?

তিনি আরও বলেন, অনেক পরে মামলা করে আমরা একটা রায় পেয়েছি। আমরা আশা করি এর বিচার হবে। কিন্তু যাদেরকে আমরা হারিয়েছি তাদেরকে তো আর ফিরে পাবো না।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী শান্তি সমাবেশে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তৃতার শেষ পর্যায়ে তাকে হত্যার উদ্দেশে ওই সমাবেশে নারকীয় গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।

ও হামলায় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতা সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। এছাড়াও আহত হন আরো ৪০০ দলীয় নেতা-কর্মী। আহতদের অনেকেই চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছেন। তাদের কেউ-কেউ আর স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাননি।

 

/কে 

Ads
Ads