মিন্নির গ্রেফতার-জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান হাইকোর্ট

  • ১৯-Aug-২০১৯ ০৫:৪৬ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

রিফাত শরীফ হত্যা মামলার আসামি ও নিহতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে কবে পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়, কবে আদালতে উপস্থাপন করা হয়, কবে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করা হয়, কবে পুলিশ সুপার সংবাদ সম্মেলনে মিন্নি জড়িত বলে বক্তব্য দেন- এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

মিন্নির জামিন আবেদনের প্রথম দিনের শুনানি নিয়ে সোমবার (১৯ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

মঙ্গলবার মিন্নির আইনজীবীকে এ সংক্রান্ত তথ্য সম্পূরক আবেদন আকারে দাখিল করতে বলা হয়েছে। ওইদিন এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আদালতে মিন্নির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও তার দলের সদস্যরা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সরোয়ার হোসাইন।

এর আগে রোববার (১৮ আগস্ট) রিফাত হত্যা মামলায় প্রধান সাক্ষী নিহতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন উপস্থাপন করা হয়।

গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। গুরুতর আহত রিফাতকে ওই দিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ও পাঁচ-ছয়জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

১৬ জুলাই সকালে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশ লাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। এরপর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরদিন (১৭ জুলাই) মিন্নিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর বরগুনার আদালতে মিন্নির জামিন আবেদন জানালেও তার জামিন মেলেনি। নিম্ন আদালতে ব্যর্থ হয়ে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন মিন্নির আইনজীবীরা।

Ads
Ads