ঢাকা নয়, এরশাদকে রংপুরের পল্লীনিবাসে দাফনের সিদ্ধান্ত

  • ১৬-Jul-২০১৯ ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে রংপুরের পল্লীনিবাসে দাফন করার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে দলটি।

রংপুরে চতুর্থ দফা জানাজার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও এরশাদের ছোট ভাই জি এম কাদের। এরশাদের স্ত্রী রওশন এরশাদও তাতে সম্মতি দেন।

গত রবিবার ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় এরশাদের। ওইদিন বাদ জোহর ঢাকা সেনানিবাস কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রথম জানাজা হয়। গতকাল সংসদ ভবন ও বায়তুল মোকররম জাতীয় মসজিদে তার দ্বিতীয় ও তৃতীয় জানাজা হয়।

এরশাদের মৃত্যুর দিনই জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, প্রয়াত এই নেতার দাফন হবে বনানীতে সামরিক কবরস্থানে। তবে রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র ও জাতীয় পার্টির নেতা মোস্তাফিজার রহমানসহ স্থানীয় নেতারা রংপুরের এরশাদকে কবর দেওয়ার দাবি জানান। গতকালও তারা এই দাবিতে অটল থাকেন। রংপুরে এরশাদের বাসভবন পল্লীনিবাসে কবরও খুঁড়ে রাখা হয়। কিন্তু দলটির শীর্ষ নেতারা এরশাদের দাফন ঢাকায় হবে বলে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়।

দুপুরে জানাজার জন্য এরশাদের লাশ রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে পৌঁছার পরপরই রংপুরে এরশাদের দাফনের দাবিতে শ্লোগান দিতে থাকেন দলটির নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভের মধ্যেই বেলা আড়াইটার দিকে তার চতুর্থ ও শেষ জানাজা হয়।

জানাজার আগে বক্তৃতায় রংপুরের মেয়র মোস্তাফিজুর এই দাবি আবারও তোলেন। এরপর জি এম কাদের বক্তব্য শুরু করেন। কিন্তু তাঁর বক্তব্যের মাঝেই দাফনের বিষয়টি উল্লেখ না করলে শ্লোগান শুরু হয়।

বেলা ২টা ২৫মিনিটে এরশাদের জানাজা শুরু হয়। জানাজার পর শত শত কর্মী এরশাদের মরদেহ বহনকারী গাড়িটি ঘিরে ধরে। তারা রংপুরে কবর দেওয়ার দাবি করেন। গাড়িটিতে ছিলেন মেয়র মোস্তাফিজ।

ময়দানে মাইক থেকে মেয়রের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, মরদেহ যেন রংপুর থেকে ঢাকায় না যায়। এ অবস্থায় বেলা তিনটার দিকে এরশাদের মরদেহ শহরে তাঁর বাড়ি পল্লীনিবাসে নেওয়া হয়।

পরে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের জানান, এরশাদকে রংপুরে দাফনের কথা। বলেন, বাদ আসর পল্লীনিবাসের লিচুতলায় এরশাদকে সমাহিত করা হবে।

Ads
Ads