ফরিদপুরে বরকত-রুবেলের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানে নতুন কর্মকর্তা

  • ১১-Jul-২০১৯ ০২:৫৪ অপরাহ্ন
Ads

:: উৎপল দাস ::

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ফরিদপুরের দুই ভাই সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানে নিয়োজিত অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের সঙ্গে সখ্য গড়ার অভিযোগের তাকে সরিয়ে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আলী আকবরকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে। যেখানে বরকত ও রুবেলের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানে নিয়োজিত ফরিদপুর জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদকে এ দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে আলী আকবরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
 
এর আগে গত ১ মে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের এক চিঠিতে আবুল কালাম আজাদকে বরকত ও রুবেলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া দুদকের ঢাকার বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক আক্তার হোসেন অনুসন্ধানের বিষয়টি তদারকি করছেন।

অভিযোগ আছে, অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছিলেন। গত রমজানে একসঙ্গে একই গাড়িতে করে ইফতার পার্টিতে যোগদানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাকে অভিযুক্তদের সঙ্গে দেখা গেছে। এছাড়া বরকত ও রুবেলকে দুদকের জাল থেকে বাঁচাতে সব ধরনের দফারফাও হয়েছিল উভয়পক্ষের মধ্যে। এ জন্য মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের রফাও হয়েছিল বলে অভিযোগ আছে।   

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের এক কর্মকর্তা বলেন, বরকত ও রুবেলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কাজে শতভাগ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের জন্য অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে যিনি ছিলেন তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ দুদকে এসেছে। বিষয়গুলো আমলে নিয়ে এই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

অনিয়ম, দুর্নীতি ও মাদক-ব্যবসা পরিচালনাসহ অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হোসেন রুবেলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। গত ২০ মে দুদক তলব করে চিঠি পাঠালে বরকত ও রুবেল ২২ মে ফরিদপুর দুদক কার্যালয়ে হাজির হন। পরে তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য সময় নেন।

Ads
Ads