যে ভালো কাজ করে প্রশংসিত ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সোহেল রানা

  • ৮-Jun-২০১৯ ০৬:০২ পূর্বাহ্ণ
Ads

সিনিয়র প্রতিবেদক

ঈদের আমেজে পুরোদেশ উদ্বেলিত। পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরে গেছেন ব্যস্ততার কর্মস্থল ছেড়ে। তবুও রাজনীতি যাদের রক্তে মিশে আছে, যাদের ধ্যান জ্ঞান রাজনীতি, মানুষের কল্যাণ করা, যোগ্যদের, অগ্রজদের সম্মান করা তারা রাজনীতির এই কঠিনতম খেলায় সফল হবেন। এটাই রাজনীতির সূত্র। ঠিক তেমনি বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে সংগঠনটির নাম সবার আগে আসবে, সেটি হচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী এই ছাত্রলীগকে নিয়ে নানা ধরণের সমালোচনার মধ্যেও কিছু ভালো কাজ ছাত্রলীগের শুভাকাঙ্খী বা কর্মীদের উজ্জ্বীবিত করে। পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে অবশ্যই ছাত্রলীগের দায়িত্ব নিজেই তুলে নিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও ছাত্রলীগের সর্বোচ্চ অভিভাবক শেখ হাসিনা।  এই মুহুর্তে ছাত্রলীগের পরিপূর্ণ গঠনতন্ত্রের নামও শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী যেমন তার শিক্ষাগুরুকে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে সম্মানিত করেন, তেমনি তার আদর্শিক কর্মী হিসাবে ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সহ-সভাপতি সোহেল রানাও অনন্য সাধারণ এক ‍দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। 

ঐতিহাসিক ৬ দফার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ছাত্রলীগের মাত্র নয়জন নেতাকর্মী বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান যা নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি। ঠিক ওই সময়টাতেই সংগঠনের সহ-সভাপতি শেখ হাসিনার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলার সৃর্যসন্তান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রথম সভাপতি (১৯৪৯ -১৯৫২) এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ভাষা সৈনিক মরহুম দবিরুল ইসলামের কবর জিয়ারত ও তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনায়  নেতৃত্ব দেন সোহেল রানা। 

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির প্রতি এমন শ্রদ্ধা নিবেদনের কারণে সোহেল রানাকে নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা। তারা সোহেল রানার প্রশংসা করে বলেছেন, এমন ছাত্রলীগের নেতাই আমরা দেখতে চাই, যারা শেখ হাসিনার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে কাজ করে সংগঠনের সাবেকদের প্রাপ্য সম্মান দিবে। 
 
উল্লেখ্য, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তখন সোহেল রানার সঙ্গে ছিলেন। 

Ads
Ads