বাংলাদেশে আল্লাহর বিশেষ রহমতের দুই নাম শেখ হাসিনা-টাইগার ক্রিকেট

  • ২-Jun-২০১৯ ০৬:৩১ অপরাহ্ন
Ads

:: সৌদি আরব (মক্কা ) থেকে ড. কাজী এরতেজা হাসান ::

ত্রি-জাহানের পবিত্রতম স্থান মক্কায় বসে ইবাদত বন্দেগীতে ব্যস্ত সময় পার করছি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের  কাবায় একাগ্রচিত্তে দোয়া করছি। তবুও সাংবাদিকতার পেশার তারে জড়ানো জীবনে এই পবিত্র নগরী থেকেই লিখতে হচ্ছে। লিখতে হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং আমাদের ক্রিকেট নিয়ে। 

গতকাল ছিল লাইলাতুল কদর বা শবে কদর। পৃথিবীর সবচে মহিমান্বিত রাত। পবিত্র হাদিসে বর্ণিত আছে, রমজানের শেষ ১০ দিন হচ্ছে নাজাত। আল্লাহর কাছে ক্ষমা লাভের জন্য এই দিনগুলোর মধ্যে সবচে মহিমান্বিত রাত হচ্ছে শবে কদর। নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) নিজেই শবে কদরের গুরুত্বের কথা বলে গেছেন। শবে কদরে প্রকৃতি থাকবে নির্মল-শীতল। যেন আল্লাহর বান্দা তার নৈকট্য লাভের জন্য ইবাদতে মগ্ন থাকতে পারেন। এই রজনীতে আমি নিজ চোখেই দেখেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কতটা রহমতের বৃষ্টিতে সিক্ত হয়েছেন। সাধারণত সৌদি আরবে তেমন বৃষ্টিপাত হয় না। কিন্তু পবিত্র শবে কদরের রাতে অজোর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছিল। তখন বারবার মনে হচ্ছিল, আল্লাহর বিশেষ রহমতের বৃষ্টিতেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ যারা পবিত্র ওমরাহ করতে এসেছেন, তারাও সিক্ত হয়েছেন। ওমরাহ পালনকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশসহ মুসলিম উম্মাহর শান্তির জন্য বিশেষ দোয়া করেছেন। 

সত্যি বলছি, আল্লাহর বিশেষ রহমত আমাদের মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণেই হয়েছে বলে বিশ্বাস করি। জীবনের নানা ঘাত, প্রতিঘাত পেরিয়ে তিনি এখন বাংলাদেশের সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের আশা আকাঙ্খার প্রতিরূপ। আজ পুরো পৃথিবীতেই শেখ হাসিনা মানেই বাংলাদেশ। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নৈকট্য ছাড়া এটা সম্ভব ছিল না। ধর্মপ্রাণ একজন মুসলিম নারী হিসাবে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন এবং দেশবাসীর জন্য নিজের জীবনের সব সুখ বিসর্জন দিয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ায় কাজ করে যাচ্ছেন নিরন্তর। শবে কদরের মহিমান্বিত রাতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যে, আমাদের পরম শ্রদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর ওপর সন্তুষ্ট সেটি প্রকাশ করার জন্যই অঝোড় ধারায় বৃষ্টি উপহার দিয়েছিলেন। 

বৃষ্টির সেই ফুল্গধারায় আমরা নিজেদের সামিল করতে পেরেও নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে করছি।

মক্কায় থাকলেও মনটা কিছুটা পরে আছে বিশ্বকাপের মাঠেই। কেননা বাংলাদেশিদের দুটো বিষয়ে এক হতে হয়েছে সব বিভেদ ভুলে। একটি হচ্ছে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একক নেতৃত্ব। সেখানে আমরা এখন পর্যন্ত আল্লাহর রহমতে সফল। বাকিটা হচ্ছে আমাদের ক্রিকেট। টাইগার বাহিনী যখনই জিতে যায়, তখন দল মত নির্বিশেষে আমরা এক হয়ে আনন্দ করি। আবার যখন হেরে যায়, তখন এক সঙ্গেই বেদনাহত হই। জাতির এমন এক সুতোয় বেঁধে রাখার ক্ষমতা মাশরাফি বাহিনীর রয়েছে। এবারের বিশ্বকাপে মাত্র যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, আজ বাংলাদেশের টাইগাররা জয় দিয়েই শুরু করবে। শুরুটা ভালো হলেই আমরা আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবো। বিশ্বকাপ জয়ের মঞ্চে মাশরাফি বাহিনীর জন্য অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে  শুভ কামনা ও বিশেষ দোয়া থাকলো।  জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয় টাইগার ক্রিকেটের। 

লেখক: আওয়ামী লীগের ধর্ম ও শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সদস্য এবং রংপুর রাইডার্সের সাবেক চেয়ারম্যান

Ads
Ads