জঙ্গি শনাক্তকরণ বিজ্ঞাপনটি আমরা দেইনি: সম্প্রীতি বাংলাদেশ

  • ১৬-মে-২০১৯ ০২:৫৭ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

সম্প্রীতি বাংলাদেশের নামে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত ‘জঙ্গি শনাক্তকরণ’ বিজ্ঞাপনটি নিজেদের নয় বলে দাবি করেছে সম্প্রীতি বাংলাদেশ।

সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযুষ বন্দোপাধ্যায় বলেছেন, জঙ্গি শনাক্তকরণ বিষয়ে কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় প্রচারিত ও প্রকাশিত একটি বিজ্ঞাপনটি নিয়ে যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি  হয়েছে, তা অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। জঙ্গি শনাক্তকরণ বিজ্ঞাপনটি আমরা দেইনি। এর সঙ্গে ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’ এর কোনও সম্পর্ক নেই। প্রকাশিত বিজ্ঞাপনটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

পীযুষ বন্দোপাধ্যায় বলেন, দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করতেই মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি এমন অপপ্রচার চালিয়েছে। সম্প্রীতি বাংলাদেশ সংগঠনে অসাম্প্রদায়িকতার কোনও স্থান নেই। সম্প্রীতি বাংলাদেশ সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে অসাম্প্রদায়িক জাতিসত্ত্বার পক্ষে কাজ করে চলেছে। সম্প্রীতি বাংলাদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী এবং সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সামাজিক সংগঠন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সম্প্রীতি বাংলাদেশের নেতৃত্বে থাকা প্রত্যেকের রয়েছে একটি সমৃদ্ধ আত্মপরিচয়। সম্প্রীতি বাংলাদেশের ছায়াতলে একত্রিত হবার অনেক আগে থেকেই তারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে সমাজের সব শুভ কর্মে রেখেছেন জোরালো ভূমিকা।

জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স ঘোষণার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে পীযুষ বন্দোপাধ্যায় বলেন, সম্প্রীতি বাংলাদেশ সব মহলের সক্রিয় সহযোগিতায় সব ধরনের উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ, ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সব সময় সক্রিয় রয়েছে এবং ভবিষতেও থাকবে।

সম্প্রীতি বাংলাদেশের সঙ্গে যারা আছেন তারা সবাই দেশের সব দুর্যোগ মোকাবিলায় বারংবার অকুতভয় চিত্তে সক্রিয় থেকেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সতেজ ও সক্রিয় থেকে দেশ, সমাজ ও মানুষের জন্য ভালো কাজটি করে যাবেন বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সম্প্রীতি বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের পর থেকে এ যাবতকাল পর্যন্ত সমাজের মানবিক বিষয়গুলোকে গুরুত্বেও সঙ্গে বিবেচনা করে সুন্দর এক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। বাংলাদেশে থাকবে আন্তঃধর্ম সুসম্পর্ক। থাকবে না কোনও প্রকার বৈষম্য, থাকবে না কোনও নিপীড়ন-নির্যাতন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন— রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব) মোহাম্মদ আলী সিকদার, সাবেক সংস্কৃতি ও তথ্যসচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোট চেয়ারম্যান মিসবাহুর রহমান চৌধুরী, খ্রিস্টান অ্যাসোয়িশনের সভাপতি উইলিয়াম প্রলয় সমাদ্দার, দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক আলী হাবিব। উপস্থাপনায় ছিলেন সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল)।

Ads
Ads