রুপসী বাংলা

যশোরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান শুরু

:: ভোরের পাতা অনলাইন ::

যশোর শহরের সেন্ট্রাল রোডে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়িটিতে অভিযান শুরু করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

সোমবার (০৯ অক্টোবর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে অভিযান শুরু হয়। বাড়িটি থেকে সাধারণ বাসিন্দাদের বের করে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সোয়াট সদস্যরা ওই বাড়ির কাছে পৌঁছালে শুরু হয় অভিযানের প্রস্তুতি। মাইকিং করে বাড়ির সন্দেহভাজন বাসিন্দাদের বেরিয়ে আসতে বলা হয়। তার আগেই ভবনের অন্য পাঁচটি ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমান জানান, বাড়িটিতে জঙ্গি মারজানের বোন খাদিজা রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁকে আত্মসমর্পণের জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। এতে কাজ না হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি মাইকে বলেন, খাদিজা আপনি বেরিয়ে আসুন। আপনার সঙ্গে আমরা কথা বলতে চাই। আপনার সঙ্গে শিশুরাও রয়েছে। তাদের কথা চিন্তা করে আপনি বেরিয়ে আসুন, আমরা কথা বলব। আপনি আত্মসমর্পণ করেন। আমরা আপনার সকল সহযোাগিতা করব। তবে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পুলিশ সুপারের আহ্বানে সাড়া দেয়নি জঙ্গিরা।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান বলেন, ওই বাড়িতে ৫টি পরিবার ছিল। তাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বাড়িটির দ্বিতীয় তলায় জঙ্গি মারজানের বোন খাদিজা রয়েছে। তার সঙ্গে একাধিক শিশু রয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছি। আমরা আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছি।

এর আগে জঙ্গি অবস্থানের খবর পেয়ে রোববার গভীর রাতে পুলিশ শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডে মসজিদের পেছনের দোতালা ওই বাড়িটি ঘিরে ফেলে।

বাড়িটির মালিক যশোর জেলা স্কুলের শিক্ষক হায়দার আলি।  যশোর কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজমল হুদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাড়ির মালিক হায়দার আলি জানান, তার বাড়িতে দু’টি পরিবার ভাড়া থাকে। তিনি পাশের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। রবিবার দিবাগত রাত ৪ টার দিকে তিনি তার আত্বীয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন যে, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে তার বাড়িটি  ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের সাথে কথা বলে যতটুকু জানতে পেরেছি তাতে করে তার বাড়ির পশ্চিম পাশের ভাড়াটিয়া মশিউর রহমান ও তার পরিবারকে সন্দেহ করছে পুলিশ। মশিউর রহমান তার স্ত্রী ও ৩ সন্তান নিয়ে সেখানে ভাড়া থাকতেন। তিনি একটি হার্বাল কোম্পানিতে চাকরি করতেন।

 

ভোরের পাতা/ই

আপনার মন্তব্য লিখুন

রুপসী বাংলা | আরো খবর