রাজনীতি
শুক্রবার, ১৮ আগস্ট ২০১৭ ৩ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

রূপরেখায় মনোযোগী বিএনপি পাত্তা দিচ্ছে না আওয়ামী লীগ

আলোচনায় নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার

:: রেজাউল করিম ভূঁইয়া ::

তত্ত্বাবধায়কের দাবিতে ছাড় দিয়ে এখন ‘নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সহায়ক সরকার’-এর রূপরেখা তৈরির কাজে মনোযোগী হয়েছে বিএনপি।

দিনক্ষণ ঠিক করে শিগগির ওই রূপরেখা তুলে ধরা হবে জনসম্মুখে। তারপর ওই রূপরেখার আলোকেই প্রধানমন্ত্রীকে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপের পাশাপাশি রূপরেখা নিয়ে জনমত তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। সেক্ষেত্রে বিভিন্ন পেশাজীবীর পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকেও এ দাবির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করা হবে বলে বিএনপির নীতিনির্ধারণী সূত্রে জানা গেছে।

অপরদিকে ডুবন্ত মানুষ যেমন খড়-কুটা আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করে, বিএনপিও আগামী জাতীয় নির্বাচনের নামে নতুন ইস্যু সৃষ্টি করে রাজনীতিতে টিকে থাকতে চাচ্ছে বলে মনে করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সংবিধানে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার বলতে কিছু নেই। সংসদের বাইরে থাকায় বিএনপির এ ধরনের প্রস্তাব গ্রহণের কোনো কারণও দেখছে না দলের নেতারা।

কিছুটা বিতর্ক থাকলেও প্রায় সব রাজনৈতিক দলই নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) মেনে নিয়েছে। দলগুলোর পরবর্তী টার্গেট একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ওই নির্বাচন কিভাবে অবাধ ও নিরপেক্ষ এবং সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায় সেদিকেই দৃষ্টি দিচ্ছেন তারা। সংবিধান অনুসারে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অধীনেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ক্ষেত্রে বিএনপির জন্য নির্বাচন করে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। আবার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুসারে নির্বাচনে না গেলে দলের নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে।

বলা যায়, এক প্রকার বাধ্য হয়েই বিএনপিকে একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। আর এ কারণেই বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ও ক্ষমতাসীন জোটের বাইরের দলগুলো মনে করছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নিরপেক্ষ ইসি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে সে সিদ্ধান্তে আসাটা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখনই এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে একটা সমাধানে আসা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সরকারেরই উদ্যোগী হয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া উচিত। আর এ লক্ষ্য নিয়েই বিএনপি এখন নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা প্রণয়ন করছে।

বিএনপি মনে করছে, নির্বাচনকালীন ‘সহায়ক সরকার’ হলে আর প্রশাসন ‘নিরপেক্ষ’ থাকলে হয়তো সে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। আর বিজয়ী হতে না পারলেও সম্মানজনক আসন নিয়ে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসতে পারবে। আর নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়টির সমাধান হলেই সব দল উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী মাঠে নামতে পারবে বলে বিশ্বাস করে বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট।

এ বিষয়ে শাসকদল আওয়ামী লীগের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, বিএনপি নিজেদের অস্বিত্ব¡ টিকিয়ে রাখতেই সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর অধীনেই আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। এসব আলোচনা বা প্রস্তাবের মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সরকারে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে চায়। বিগত জাতীয় নির্বাচনের আগে দু-তিনটি মন্ত্রণালয় বিএনপিকে দেয়ার যে প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়েছিলেন, তারা সেটাই চাচ্ছে। কিন্তু এখন তারা সংসদের বাইরে থাকায় সে সম্ভাবনাও কম।

বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগের বেশ ক’জন নেতার সঙ্গে আলাপকালে প্রত্যেকেই সাংবিধানিক ধারার কথা উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচিত সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে। প্রধানমন্ত্রী চাইলে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর সমন্বয়ে সে সময়ের সরকার হতে পারে। বিএনপি যেহেতু সংসদে নেই, তাই নির্বাচনকালীন সরকারে তাদের থাকার সম্ভাবনাও নেই। এটা বুঝতে পেরেই বিএনপি এখন প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অধীনেই নির্বাচন হবে। সে ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের ফের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা খুব বেশি। বর্তমান প্রশাসনও নিজেদের স্বার্থেই চাইবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসুক। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চলমান বিভিন্ন মামলায় সাজা দিয়ে আগামী নির্বাচন করার পক্ষেও আছে ক্ষমতাসীন ১৪ দলের একটি অংশ।

এমন পরিস্থিতিতে ‘নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার’ বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে বিএনপি। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের রূপরেখার মতোই ‘নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার’ এর রূপরেখা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার পর তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। যাতে র্নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সমাধানে পৌঁছতে প্রধানমন্ত্রী আলোচনার উদ্যোগ নেন।

যদিও বিদ্যমান সংবিধানের কোথাও নির্বাচনকালীন সরকার বলতে সুনির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই। কিন্তু বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট মনে করে, নির্বাচনকালীন সময়ে যদি একটি নিরপেক্ষ সরকার না থাকে তাহলে কারও পক্ষেই সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব নয়। সেই কারণেই নির্বাচনকালীন সময়ে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য সহায়ক সরকার প্রয়োজন।

বিএনপি প্রত্যাশা করছে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সব দলের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী চাইলেই তা সম্ভব। আর এ জন্য তার সঙ্গে সংলাপে বসা খুবই জরুরি। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে বেশ কিছু বিষয়ে ছাড় দিতেও প্রস্তুত দলটি। সব দলের অংশগ্রহণে একটি অর্থবহ নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ নেবেন বলে প্রত্যাশা তাদের। বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও দলের ‘থিংকট্যাংক’ এ রূপরেখার খসড়া প্রণয়নের কাজ করছেন। এ ক্ষেত্রে সংবিধান বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলেরও পরামর্শ নিচ্ছেন তারা।

সূত্র জানায়, ইসির রূপরেখা তৈরির সময়ই নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে কাজ শুরু করে দলটি। ইতিমধ্যে রূপরেখার খসড়ার কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। দল ও জোট নেতৃবৃন্দের পরামর্শ গ্রহণের পর রুপরেখা খসড়ায় আরও সংযোজন-বিয়োজন করে তা চূড়ান্ত করতে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করবেন খালেদা জিয়া। রূপরেখা তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক নেতা জানান, বর্তমান বাস্তবতা ও সংবিধান অনুসরণ করেই নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের রূপরেখা তৈরির কাজ চলছে। বিশেষ করে সব দলের অংশগ্রহণে কীভাবে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব, সে বিষয়টিকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে রূপরেখায়।

তিনি আরও জানান, রূপরেখার প্রাথমিক খসড়ায় এখন পর্যন্ত যেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে নির্বাচনের সময় সরকারপ্রধান কে থাকবেন, ওই সরকারের মন্ত্রিসভায় কারা কিভাবে থাকবেন, সহায়ক সরকারের মেয়াদ কতদিন হবে ইত্যাদি। এ বিষয়গুলো নিয়ে নানা জনের বহু মত রয়েছে। সব মতামতের সমন্বয়ে সকল মহলে গ্রহণযোগ্য একটি ফর্মুলা বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাখা না-রাখার পক্ষে দু’ধরনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ না করার শর্তে নির্বাচনকালীন সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকতে পারেন বলে একটি পক্ষের মত। খসড়া তৈরির দায়িত্বে নিয়োজিত অপর একটি পক্ষের ভাবনায় রয়েছে, তিন মাসের সহায়ক সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী স্বপদে বহাল থেকে ছুটিতে থাকার মাধ্যমে নির্বাচন প্রভাবিত না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হবে। আলোচনা হচ্ছে, নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের মেয়াদ হবে তিন মাস। ওই সময় সংসদ ভেঙ্গে দেয়া অথবা অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের আপত্তি থাকলে বহালও থাকতে পারে।

এছাড়া রূপরেখায় রাষ্ট্রপতির অধীনে মন্ত্রিসভায় বিভিন্ন দল বিশেষ করে নিবন্ধিত দল থেকে টেকনোক্রেট কোটায় ১০ ভাগ মন্ত্রীদের নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি চিন্তা করা হচ্ছে। যেখানে স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসনসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে থাকলে তখন রাষ্ট্রপতি মন্ত্রীদের দিয়ে কাজ করাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে ‘সর্বদলীয়’ সরকারের আদলে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরে থেকে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের বিষয়ে প্রস্তাব করা হতে পারে বিএনপির রূপরেখায়। এ ক্ষেত্রে নির্দলীয় ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত রাখা সম্ভব।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় থাকলে ইসি শতভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে না। ওই মুহূর্তে প্রয়োজন নির্বাচনকালীন রাজনৈতিক সরকারের ক্ষমতার ভারসাম্য। এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এ ব্যাপারে সরকারের পাশাপাশি প্রধান রাজনৈতিক দলকে এগিয়ে আসতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি উৎসবমুখর নির্বাচন সম্ভব। তিনি আরও বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আমরা নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের সঙ্গে সংলাপে বসতে চাই।

এখন নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের রূপরেখা তৈরির কাজ চলছে। রূপরেখা প্রণয়ন চূড়ান্ত হলেই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জাতির সামনে তুলে ধরবেন। এরপর ইসি পুনর্গঠন প্রস্তাবনার মতো সহায়ক সরকারের প্রস্তাবনার একটি কপি প্রধানমন্ত্রীর হাতে হস্তান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। সেইসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সকলের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দলের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দেয়া হবে। এটি ডাকে বা বাহকের মাধ্যমে নয়, একটি প্রতিনিধি দল সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেবে বলে তিনি জানান।

তবে বিএনপির এমন সহায়ক সরকারের পরিকল্পনা নাকচ করে দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। প্রায় প্রতিদিনই দলটির সিনিয়র নেতারা এ বিষয়ে বলছেন, সংবিধানে যেভাবে নির্বাচনের কথা বর্ণিত আছে, সে আলোকেই আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি বারবার ভুল করে রাজনীতির আস্তাকুড়ে চলে গেছে। তারা এখন জনবিচ্ছিন্ন। তাই এখন ডুবন্ত মানুষের মতো খড়-কুটো আঁকড়ে ধরে রাজনীতিতে বেঁচে থাকতে চাইছে। তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী। সব সমাধান সংবিধানেই দেয়া আছে। এখানে নতুন করে আলাপ-আলোচনা, কথা বলার কিছু নেই।

তাছাড়া বিএনপি নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের যে স্বপ্ন দেখছে তা পূরণ করার মতো আন্দোলনের ক্ষমতা দলটির নেই। বিএনপির এ ধরনের তৎপরতাকে নতুন ইস্যু সৃষ্টির পাঁয়তারা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিজেদের ভুলে রাজনীতিতে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন আগামী সংসদ নির্বাচনকে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করেছে। কিন্তু আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলে নির্বাচন কমিশন তাদের জন্য বসে থাকবে না। সময়মতো ঠিকই নির্বাচন হবে।

তারপরও সব দলের অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচনকে অর্থবহ করতে যা যা করা প্রয়োজন প্রধানমন্ত্রী সেই উদ্যোগ নেবেন বলে তিনি জানান।

 

অনলাইন/কে

রাজনীতি | আরো খবর