ফীচার
শুক্রবার, ১৮ আগস্ট ২০১৭ ৩ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন: ৩ আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের নির্দেশ

:: ভোরের পাতা অনলাইন ::

বাংলাদেশে মোবাইল কোম্পানির টাওয়ার গুলো থেকে নিঃসৃত বিকিরণে মানব স্বাস্থ্যর ঝুঁকি আছে কি না সে বিষয়ে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণের বিষয়ে বিটিআরসি কি পদক্ষেপ নিয়েছে, তা আদালতকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. সেলিমের ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।

গত ২২ মার্চ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আবশ্যক মোবাইল ফোন টাওয়ার থেকে বিকিরণ নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে বাংলাদেশে নিজস্ব কোনো নীতিমালা এখনও হয়নি। ফলে উপরোক্ত প্রতিবেদনে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য বিকিরণের নিরাপদ মাত্রা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুসরন করা হয়েছে।

সেই মোতাবেক বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশে বলা হয়, সাব কমিটি বিকিরণ পরিমাপকালে একটি মোবাইল ফোন অপারেটরের একটি বেইজ ট্রান্সসিভার স্টেশন (বিটিএস) এ মাত্রাতিরিক্ত বিকিরণ পেয়েছে। যা বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছয়টি অপারেটর কর্তৃক স্থাপিত বিটিএস সূমহ পরীক্ষাপূর্বক বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা নির্ধারিত নিরাপদ মাত্রার মধ্যে বিকিরণ নামিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিটিআরসিকে বলা যেতে পারে।

নিয়মিতভাবে সকল মোবাইল ফোন অপারেটরের বিটিএসএর বিকিরণ মনিটরিং করা এবং বিটিএস স্থাপন এবং এর টাওয়ার থেকে বিকিরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নীতিমালা বা গাইডলাইন অতিসত্ত্বর প্রণয়ন করার জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসিকে করতে সুপারিশ করেছে বিশেষজ্ঞ কমিটি।

প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার কাজী জিনাত হক। রিটকারী পক্ষে ছিলেন মনজিল মোরসেদ। তিনি বলেন, আনবিক শক্তি কমিশনের প্রতিবেদনে রেডিয়েশনের মাত্রা নিরুপনের জন্য যথেষ্ট বিশেষজ্ঞ নেই। তাই তারা সুনিশ্চিতভাবে বলতে পারছেনা কি মাত্রায় রেডিয়েশন হচ্ছে।

এ কারনে আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে বিষয়টি পরীক্ষা করার নির্দেশনা চেয়ে সম্পূরুক আবেদন দাখিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে দেখা গেছে সেলফোনের টাওয়ারে রেডিয়েশনের মাত্র অনেক বেশি অর্থাৎ উচ্চ মাত্রার। যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

 

অনলাইন/কে 

ফীচার | আরো খবর