লাইফস্টাইল
শুক্রবার, ১৮ আগস্ট ২০১৭ ৩ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

আর্সেনিক বিষক্রিয়া

:: ডা: আশরাফুজ্জামান ::

আমাদের দেশে বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে আর্সেনিকযুক্ত পানি ব্যবহার অপ্রতুল নয়। এটি তীব্র হতে পারে, আবার হতে পারে দীর্ঘস্থায়ী। তবে আর্সেনিকযুক্ত পানি ব্যবহারের ফলে সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি বিষক্রিয়াই হয়ে থাকে।

কোন কোন দেশে এ রোগের প্রকোপ বেশি?

– ভারত
– বাংলাদেশ
– নেপাল
– থাইল্যান্ড
– তাইওয়ান
– চীন
– মেক্সিকো
– দক্ষিণ আমেরিকা ইত্যাদি।

কি কি উপসর্গ থাকে?

১. ক্ষুধামান্দ্য
২. বমি হওয়া
৩. ডায়রিয়া
৪. শরীরের ওজন কমে যাওয়া
৫. বেশি বেশি লালা নিঃসরণ হওয়া
৬. হাত-পায়ের মাংসপেশি শুকিয়ে যাওয়া
৭. হাত-পায়ের মাংসপেশিতে দুর্বলতা
৮. হাতে-পায়ে বোধ কম পাওয়া
৯. ত্বকের বিভিন্ন পরিবর্তন
১০. মাথার চুল পড়ে যাওয়া
১১. আঙুলের মধ্যে সাদা রেখা
১২. চোখ লাল হয়ে যাওয়া
১৩. হালকা জ্বর
১৪. জন্ডিস
১৫. পেটের মধ্যে লিভার বড় হয়ে যাওয়া
১৬. পেটের মধ্যে স্পিøন বড় হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

কি কি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়?

১. শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আর্সেনিকের মাত্রা নিরূপণ :
– খাবার পানি
– প্রস্রাব
-শুকনো চুল
– নখ

২. কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট
৩. বুকের এক্স-রে
৪. লিভার ফাংশন টেস্ট
৫. কিডনি ফাংশন টেস্ট
৬. ইসিজি
৭. ইইজি

চিকিৎসা :

১. আর্সেনিকযুক্ত পানি পান বন্ধ করতে হবে।
২. বিটা ক্যারোটিন
৩. ভিটামিন সি
৪. ভিটামিন ই
৫. ত্বকের সমস্যার জন্যে : স্যালিসাইলিক এসিড এবং ইউরিয়া অয়েনমেন্ট
৬. স্পাইরুলিনা
৭. ডি-পেনিসিলামিন
৮. ডাইমেক্যাপটোনিকসাকসিনিক এসিড
৯. রোগীর পরবর্তীতে কোনও জটিলতা হয় কিনা যেমন : ক্যান্সার সেটি লক্ষ্য রাখতে হবে।
১০. রোগীকে তার রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ বোঝানো হয়। তার পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হয়।

 

ভোরের পাতা/এমএ

লাইফস্টাইল | আরো খবর